মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদার মরুভূমিতে এমন একটি জায়গা আছে, যেখানে সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ। চারপাশে বিস্তীর্ণ অনুর্বর ভূমি, পাহাড় আর শুকনো হ্রদ। আকাশপথেও রয়েছে কঠোর নিয়ন্ত্রণ। কাছাকাছি গেলেই দেখা যায় সতর্কবার্তা, নিরাপত্তাকর্মী আর নজরদারির ব্যবস্থা। জায়গাটির সরকারি কাজকর্মের বড় অংশ আজও প্রকাশ্যে জানা যায় না।
নাম তার এরিয়া ৫১।
দশকের পর দশক ধরে এই নামের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বিধ্বস্ত ফ্লায়িং সসার, মৃত এলিয়েন, ভূগর্ভস্থ গবেষণাগার, ভিনগ্রহের প্রযুক্তি এবং এমনকি মানুষের নাগালের বাইরে থাকা কোনো অজানা প্রপালশন সিস্টেমের গল্প। হলিউড, টেলিভিশন, বই, ইউটিউব আর কনস্পিরেসি কালচার এরিয়া ৫১-কে এমন জায়গায় নিয়ে গেছে, যেখানে বাস্তব আর কল্পনার সীমারেখা প্রায়ই ঝাপসা হয়ে যায়।

কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার হলো, এরিয়া ৫১-এর প্রমাণিত ইতিহাসও কম রহস্যময় নয়। এখানে সত্যিই এমন সব বিমান পরীক্ষা করা হয়েছে, যেগুলো সে সময় পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষের কল্পনারও বাইরে ছিল। আর সেই গোপন প্রযুক্তিই সম্ভবত এরিয়া ৫১ ঘিরে ইউএফও কিংবদন্তি তৈরিতে বড় ভূমিকা রেখেছে।
মরুভূমির মাঝখানে একটি গোপন ঘাঁটির জন্ম
গল্পের শুরু ১৯৫৫ সালে, স্নায়ুযুদ্ধের উত্তপ্ত সময়ে। যুক্তরাষ্ট্র এমন একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন গোয়েন্দা বিমান তৈরি করছিল, যা সোভিয়েত ইউনিয়নের অনেক ওপরে দিয়ে উড়ে ছবি তুলতে পারবে। প্রকল্পটির কেন্দ্রবিন্দু ছিল লকহিডের কিংবদন্তি প্রকৌশলী ক্ল্যারেন্স ‘কেলি’ জনসনের নেতৃত্বাধীন স্কাংক ওয়ার্কস এবং সিআইএ।
কিন্তু নতুন ইউ-২ গোয়েন্দা বিমান পরীক্ষা করা হবে কোথায়?
১৯৫৫ সালের ১২ এপ্রিল সিআইএ কর্মকর্তা রিচার্ড বিসেল, মার্কিন বিমানবাহিনীর কর্নেল ওসমান্ড রিটল্যান্ড এবং কেলি জনসন নেভাদা অঞ্চলের ওপর দিয়ে উড়ে সম্ভাব্য জায়গা খুঁজছিলেন। তাঁদের নজরে পড়ে গ্রুম লেকের শুকনো হ্রদের তলদেশের জায়গাটি। জনবসতি থেকে দূরে, চারদিকে সামরিক নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল এবং পরীক্ষামূলক বিমান চালানোর জন্য বিস্তৃত সমতল জায়গা। স্থানটি প্রায় আদর্শ।

প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট আইজেনহাওয়ারের অনুমোদনের পর জায়গাটি ইউ-২ পরীক্ষার কাজে ব্যবহৃত হতে শুরু করে। ম্যাপে অঞ্চলটির যে নম্বর ছিল, সেখান থেকেই জনপ্রিয় নাম ‘এরিয়া ৫১’। কর্মীদের কাছে জায়গাটি কিছুটা আকর্ষণীয় শোনানোর জন্য কেলি জনসন আবার নাম দিয়েছিলেন ‘প্যারাডাইস র্যাঞ্চ’। সংক্ষেপে অনেকে বলতেন ‘দ্য র্যাঞ্চ’।
১৯৫৫ সালের ১ আগস্ট এখানে ইউ-২-এর একটি হাই-স্পিড ট্যাক্সি পরীক্ষার সময় পাইলট টনি লেভিয়ারের বিমানটি অনিচ্ছাকৃতভাবেই মাটি ছেড়ে আকাশে উঠে যায়। কয়েক দিন পর ৪ আগস্ট প্রথম আনুষ্ঠানিক টেস্ট ফ্লাইট সম্পন্ন হয়। এরপর গ্রুম লেক হয়ে ওঠে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যন্ত গোপন এভিয়েশন গবেষণার অন্যতম কেন্দ্র।
যে বিমানগুলোকে মানুষ ইউএফও ভেবেছিল
আজকের দিনে ইউ-২ খুব অস্বাভাবিক মনে না-ও হতে পারে। কিন্তু পঞ্চাশের দশকে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা ছিল। তখন সাধারণ যাত্রীবাহী বিমান প্রায়ই ১০ হাজার থেকে ২০ হাজার ফুটের মতো উচ্চতায় চলত। ইউ-২ যেতে পারত ৬০ হাজার ফুটেরও ওপরে।
ফলে সূর্য ডুবে যাওয়ার পর নিচের পৃথিবী যখন অন্ধকার, তখনও এত উঁচুতে থাকা ইউ-২-তে সূর্যের আলো প্রতিফলিত হতে পারত। মাটি থেকে সেটিকে দেখা যেত উজ্জ্বল কোনো অচেনা বস্তুর মতো। অথচ বিমানটির অস্তিত্ব ছিল গোপন। কোনো নাগরিক কিংবা পাইলট আকাশে অদ্ভুত কিছু দেখার কথা জানালে কর্তৃপক্ষও বলতে পারত না, ‘ওটা আসলে আমাদের নতুন স্পাই প্লেন।’

এরপর আসে আরও বিস্ময়কর এ-১২ অক্সকার্ট। ১৯৬২ সালের এপ্রিলে গ্রুম লেকে এর ফ্লাইট টেস্ট শুরু হয়। বিমানটি ঘণ্টায় শব্দের গতির তিন গুণেরও বেশি গতিতে প্রায় ৯০ হাজার ফুট উচ্চতায় যেতে সক্ষম ছিল। পরবর্তী সময়ে স্টেলথ প্রযুক্তি, এফ-১১৭ নাইটহক এবং গোপনে সংগ্রহ করা সোভিয়েত মিগ যুদ্ধবিমানসহ আরও নানা কর্মসূচির সঙ্গে এরিয়া ৫১-এর সম্পর্ক পাওয়া যায় ডিক্লাসিফায়েড নথিতে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটি দিয়েছে সিআইএ নিজেই। সংস্থাটির প্রকাশিত ইতিহাস অনুযায়ী, পঞ্চাশের দশকের শেষ থেকে ষাটের দশকে জমা পড়া ইউএফও রিপোর্টের অর্ধেকেরও বেশি ইউ-২ এবং পরে অক্সকার্টের ফ্লাইট দিয়ে ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়েছিল। অর্থাৎ এরিয়া ৫১-কে ঘিরে ‘আকাশে অজানা কিছু’ দেখার গল্পের অন্তত একটি বড় অংশের পেছনে সত্যিই ছিল গোপন বস্তু। শুধু সেগুলো ভিনগ্রহের ছিল না। সেগুলো ছিল মানুষের বানানো এমন প্রযুক্তি, যার কথা সাধারণ মানুষ তখন জানত না।
তাহলে এলিয়েন এলো কোথা থেকে?
এরিয়া ৫১ তৈরি হওয়ার আগেই যুক্তরাষ্ট্রে ‘ফ্লায়িং সসার’ নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ শুরু হয়ে গিয়েছিল। ১৯৪৭ সালের রোজওয়েলের ঘটনা সেই সংস্কৃতিকে আরও শক্তিশালী করে। নিউ মেক্সিকোর রোজওয়েলের কাছে পাওয়া ধ্বংসাবশেষকে প্রথমে স্থানীয় সামরিক কর্তৃপক্ষ ‘ফ্লায়িং ডিস্ক’ হিসেবে ঘোষণা করেছিল। পরে সেটিকে আবহাওয়া পর্যবেক্ষণের বেলুন বলা হয়।
বহু বছর পর মার্কিন বিমানবাহিনীর তদন্তে বলা হয়, ধ্বংসাবশেষটি আসলে ‘প্রজেক্ট মোগুল’ নামে গোপন একটি বেলুনভিত্তিক নজরদারি কর্মসূচির অংশ ছিল, যার উদ্দেশ্য ছিল সোভিয়েত পারমাণবিক পরীক্ষার সংকেত শনাক্ত করা। কথিত এলিয়েন মৃতদেহের দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণও সরকারি তদন্তে পাওয়া যায়নি।

তারপরও রোজওয়েলের একটি শিক্ষা সাধারণ মানুষের মনে স্থায়ী হয়ে যায়: সরকার গোপন সামরিক প্রযুক্তি সম্পর্কে মিথ্যা বা অসম্পূর্ণ ব্যাখ্যা দিতে পারে।
আর সেটি পুরোপুরি ভিত্তিহীন ধারণাও ছিল না। জাতীয় নিরাপত্তার কারণে যুক্তরাষ্ট্র সত্যিই বিভিন্ন প্রকল্পের প্রকৃত পরিচয় গোপন করেছে। ফলে যখন নেভাদার মরুভূমিতে প্রবেশ নিষিদ্ধ একটি ঘাঁটি, অদ্ভুত বিমান আর অস্পষ্ট সরকারি বক্তব্য একই জায়গায় মিলল, তখন এলিয়েনের গল্পের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশও তৈরি হয়ে গেল।
বব লাজার এবং এরিয়া ৫১-এর সবচেয়ে বিখ্যাত দাবি
এরিয়া ৫১-এর এলিয়েন কিংবদন্তি যে পর্যায়ে আজ পৌঁছেছে, সেখানে একটি নাম এড়িয়ে যাওয়ার উপায় নেই- বব লাজার।
১৯৮৯ সালে লাস ভেগাসের সাংবাদিক জর্জ ন্যাপের কাছে লাজার দাবি করেন, তিনি গ্রুম লেকের দক্ষিণে ‘এস-৪’ নামের একটি গোপন স্থাপনায় কাজ করেছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী সেখানে নয়টি ভিনগ্রহের মহাকাশযান ছিল এবং তাঁকে সেগুলোর প্রপালশন প্রযুক্তি ‘রিভার্স ইঞ্জিনিয়ার’ করার কাজে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তিনি আরও দাবি করেন, একটি যান এমন একধরনের ‘এলিমেন্ট ১১৫’ ব্যবহার করত, যা মহাকর্ষ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখত।

গল্পটি অসাধারণ। সমস্যাও সেখানেই।
লাজার যে লস অ্যালামোসে কোনো পর্যায়ে কাজ করেছেন, তার পক্ষে কিছু প্রামাণ্য রেকর্ড পাওয়া গেছে। কিন্তু তিনি যে এস-৪-এ এলিয়েন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করেছেন, তার স্বাধীন ও যাচাইযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাঁর এমআইটি এবং ক্যালটেকের উচ্চশিক্ষার দাবিও নির্ভরযোগ্য প্রাতিষ্ঠানিক নথির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, পর্যায় সারণির ১১৫ নম্বর মৌল পরে সত্যিই তৈরি করা হয়েছে এবং সেটির নাম হয়েছে মস্কোভিয়াম, কিন্তু এখন পর্যন্ত তৈরি এর আইসোটোপগুলো অত্যন্ত অস্থিতিশীল। লাজার যে স্থিতিশীল সংস্করণের কথা বলেছিলেন, তার অস্তিত্বের কোনো প্রমাণ নেই।
ফলে লাজারের গল্পকে এরিয়া ৫১-এ এলিয়েন থাকার প্রমাণ বলা যায় না। বরং এটি এমন একটি দাবি, যার কিছু পারিপার্শ্বিক তথ্য সত্য হলেও মূল অসাধারণ দাবিটি আজও অপ্রমাণিত।
সবচেয়ে বড় রহস্য হয়তো গোপনীয়তাই…
দীর্ঘদিন মার্কিন সরকার প্রকাশ্যে ‘এরিয়া ৫১’ নামটিই প্রায় স্বীকার করত না। পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন আসে ২০১৩ সালে। তথ্য অধিকার আইনে করা আবেদনের পর প্রকাশিত সিআইএ ইতিহাসে গ্রুম লেক এবং এরিয়া ৫১-এর নাম ও মানচিত্র আনুষ্ঠানিকভাবে সামনে আসে। সেখানে ইউ-২ এবং অক্সকার্ট কর্মসূচিতে ঘাঁটিটির ভূমিকা বিস্তারিতভাবে পাওয়া যায়।

এর অর্থ অবশ্য এই নয় যে ঘাঁটির বর্তমান সব কাজ প্রকাশিত হয়েছে। এরিয়া ৫১ এখনো বৃহত্তর নেভাদা টেস্ট অ্যান্ড ট্রেনিং রেঞ্জের অত্যন্ত সংবেদনশীল অংশ। নতুন বিমান, সেন্সর, স্টেলথ ব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার প্রযুক্তি কিংবা অন্য কোনো ক্লাসিফায়েড প্রজেক্ট সেখানে পরীক্ষা হচ্ছে কি না, তার সবকিছু জনসমক্ষে প্রকাশের সুযোগ নেই।
ইউএফও এখন ইউএপি, কিন্তু এলিয়েনের প্রমাণ কি মিলেছে?
গত কয়েক বছরে মার্কিন সরকার ইউএফও নিয়ে আগের তুলনায় অনেক বেশি প্রকাশ্যে আলোচনা করছে। এখন সরকারি পরিভাষায় বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে ইউএপি, অর্থাৎ ‘আনআইডেন্টিফায়েড অ্যানোম্যালাস ফেনোমেনা’। পেন্টাগনের অধীনে অল-ডোমেইন অ্যানোমালি রেজল্যুশন অফিস বা এএআরও এসব ঘটনা নিয়ে তদন্ত করছে।
২০২৪ সালে প্রকাশিত এএআরওর ঐতিহাসিক পর্যালোচনায় প্রায় আট দশকের সরকারি ইউএফও-সংক্রান্ত দাবি ও কর্মসূচি পরীক্ষা করে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র সরকার বা বেসরকারি শিল্পের হাতে ভিনগ্রহের প্রযুক্তি থাকার যাচাইযোগ্য প্রমাণ তারা পায়নি। কোনো যাচাই করা ইউএপি ঘটনাকে বহির্জাগতিক কার্যকলাপ হিসেবেও প্রমাণ করা যায়নি।

আরও নতুন তথ্য এসেছে ২০২৬ সালের জুলাইয়ে প্রকাশিত এএআরওর ২০২৫ অর্থবছরের রিপোর্টে। ২০২৪ সালের ২ জুন থেকে ২০২৫ সালের ৩০ মে পর্যন্ত সময়ের জন্য সংস্থাটি ৩১৯টি ইউএপি রিপোর্ট গ্রহণ করে। এর মধ্যে ১১৪টি নতুন রিপোর্ট নিষ্পত্তি করা হয়। পাশাপাশি আগের সময়ের আরও ২৫৬টি কেস সমাধান করে মোট ৩৭০টি ঘটনা চিহ্নিত করা হয় পরিচিত ও সাধারণ উৎস হিসেবে। এগুলোর মধ্যে ছিল বেলুন, স্যাটেলাইট, পাখি, বিমান, ড্রোন, রকেট উৎক্ষেপণ এবং এমনকি একটি ম্যানড জেটপ্যাকও। ১৯১টি রিপোর্ট পর্যাপ্ত তথ্য না থাকায় ভবিষ্যৎ বিশ্লেষণের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।
এখানে একটি পার্থক্য গুরুত্বপূর্ণ। ‘অমীমাংসিত’ মানে ‘এলিয়েন’ নয়। অনেক ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত সেন্সর ডেটা, দূরত্ব, গতি, আবহাওয়া, রাডার ইনফরমেশন কিংবা একাধিক স্বাধীন পর্যবেক্ষণ না থাকায় কোনো বস্তুকে নিশ্চিতভাবে শনাক্ত করা যায় না।
নাসার ২০২৩ সালের স্বাধীন ইউএপি স্টাডিও একই সমস্যার ইঙ্গিত দিয়েছিল। নির্ভরযোগ্য সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে ভালো মানের, ক্যালিব্রেটেড এবং ধারাবাহিক ডেটা প্রয়োজন।
এরিয়া ৫১-এর আসল রহস্য কোথায়?
এরিয়া ৫১-এ এলিয়েনের মৃতদেহ আছে কি না, কোনো বিধ্বস্ত মহাকাশযান লুকিয়ে রাখা হয়েছে কি না কিংবা মানুষ ভিনগ্রহের প্রযুক্তি রিভার্স ইঞ্জিনিয়ার করছে কি না, এসব দাবির পক্ষে এখন পর্যন্ত নির্ভরযোগ্য প্রকাশ্য প্রমাণ নেই।
কিন্তু তাই বলে এরিয়া ৫১-এর গল্পকে নিছক হাস্যকর কনস্পিরেসি বলে উড়িয়ে দিলেও ইতিহাসের একটি বড় অংশ হারিয়ে যায়।
কারণ এই ঘাঁটিতে সত্যিই এমন প্রযুক্তি তৈরি ও পরীক্ষা হয়েছে, যেগুলো সাধারণ মানুষ বছরের পর বছর চিনতেই পারেনি। আকাশে সেগুলো দেখে ইউএফও রিপোর্ট করেছে মানুষ, আর সরকার জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে আসল ব্যাখ্যা গোপন রেখেছে। অর্থাৎ রহস্য তৈরির উপাদান বাস্তবেই ছিল।
সম্ভবত সে কারণেই এরিয়া ৫১ এত দীর্ঘস্থায়ী এক সাংস্কৃতিক প্রতীকে পরিণত হয়েছে।
ফিচার ইমেজ: David Becker/Getty Images
তথ্যসূত্র
- Ask Molly: What really went on at Area 51? – July 1, 2022 – Central Intelligence Agency
- Area 51 and the Accidental Test Flight – August 6, 2015 – Central Intelligence Agency
- The Secret History of the U-2 and Area 51 – August 15, 2013 – National Security Archive, George Washington University
- Area 51, Secret Aircraft and Soviet MiGs – October 29, 2013 – National Security Archive, George Washington University
- Unidentified Anomalous Phenomena Independent Study – September 14, 2023 – NASA
- DOD Report Discounts Sightings of Extraterrestrial Technology – March 8, 2024 – U.S. Department of Defense
- Fiscal Year 2025 Consolidated Annual Report on Unidentified Anomalous Phenomena – July 20, 2026 – All-domain Anomaly Resolution Office