
হাসির মহামারি: এক স্কুল থেকে ছড়িয়ে পড়া রহস্যময় হাসির অসুখ
১৯৬২ সালের ৩০ জানুয়ারি; পূর্ব আফ্রিকার টাঙ্গানিকার কাশাশা গ্রামের একটি মেয়েদের বোর্ডিং স্কুলে হঠাৎ অস্বাভাবিক

১৯৬২ সালের ৩০ জানুয়ারি; পূর্ব আফ্রিকার টাঙ্গানিকার কাশাশা গ্রামের একটি মেয়েদের বোর্ডিং স্কুলে হঠাৎ অস্বাভাবিক

একটি ফুল ফুটেছে, আর সেটি দেখতে মানুষ ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে আছে। অথচ ফুলটির

মরুভূমির শুকনো মাটির ওপর একটি পাথর পড়ে আছে। অস্বাভাবিক কিছু না ব্যাপারটা। কিন্তু পাথরটির পেছনে

ঘন গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বনের মাটির কাছাকাছি কোনো পাতার নিচে চোখ রাখলে কখনো কখনো অদ্ভুত একটি দৃশ্য

নিউইয়র্কের এক জঙ্গলে ছোট্ট একটি জলপ্রপাতের কাছে পৌঁছালে প্রথমে অস্বাভাবিক কিছু আপনি দেখবেন না। পাথরের

১৯৮৬ সালের ২১ আগস্ট রাতের বেলা; ক্যামেরুনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের লেক নিয়োস ঘিরে থাকা গ্রামগুলোতে মানুষ যখন

ধরুন, কোনো দুর্ঘটনায় একটি প্রাণীর সামনের একটি পা পুরোপুরি কেটে গেল। সাধারণভাবে আমরা ধরে নেব,

এই লেখার শুরুতেই একবার কল্পনা করুন, কোনো প্রাণীকে পৃথিবী থেকে কয়েকশ কিলোমিটার ওপরে নিয়ে যাওয়া

মাত্র কয়েক মিলিমিটার লম্বা একটি স্বচ্ছ জেলিফিশ। চোখে পড়লেও হয়তো বিশেষ কিছু মনে হবে না।

অ্যান্টার্কটিকার বুকে সাদা, ধূসর আর নীলের বাইরে অন্য কোনো রং এমনিতেই চোখে লাগে। সেখানে যদি

আরব সাগরের নীল জলরাশি পেরিয়ে কোনো এক সকালে সোকোত্রায় পৌঁছালে প্রথম ধাক্কাটা আসে দ্বীপটির গাছপালা

আইন বলতে সাধারণত আমাদের মাথায় আসে হত্যা, চুরি, সম্পত্তি, কর কিংবা ট্রাফিকের মতো গুরুগম্ভীর বিষয়।