১৯৬৯ সালের ১১ অক্টোবর রাতের বেলা। সান ফ্রান্সিসকোর অভিজাত প্রেসিডিও হাইটস এলাকায় ট্যাক্সিচালক পল স্টাইনের গাড়িতে যাত্রী হয়ে উঠেছিলেন এক ব্যক্তি। কিছুক্ষণ পর ওয়াশিংটন ও চেরি স্ট্রিটের কাছে সেই যাত্রীই স্টাইনের মাথায় গুলি করেন। তারপর মৃত চালকের শার্টের একটি অংশ কেটে নিয়ে হেঁটে চলে যান!
প্রথমে ঘটনাটিকে সাধারণ ডাকাতি বলে মনে হয়েছিল। কিন্তু তিন দিন পর সান ফ্রান্সিসকো ক্রনিকল পত্রিকার দপ্তরে একটি চিঠি পৌঁছায়। খুনি জানালেন, স্টাইনকে তিনিই হত্যা করেছেন। প্রমাণ হিসেবে খামের ভেতরে ছিল রক্তমাখা শার্টের একটি টুকরো।
চিঠির শুরুতে লেখা ছিল সেই বাক্য, যা পরবর্তী কয়েক দশক আমেরিকার অপরাধ ইতিহাসে ভয় এবং কৌতূহলের প্রতীক হয়ে থাকবে: “This is the Zodiac speaking.”
তখন পর্যন্ত উত্তর ক্যালিফোর্নিয়ায় কয়েকজন তরুণ-তরুণীকে গুলি ও ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। সেই চিঠির পর বোঝা গেল, হত্যাকারী শুধু মানুষ হত্যা করতে চান না। তিনি চান মানুষ তাঁর কথা শুনুক, সংবাদপত্র তাঁকে নিয়ে লিখুক, পুলিশ তাঁর তৈরি ধাঁধার পেছনে ছুটুক। তিনি নিজের জন্য একটি নামও তৈরি করেছেন- জোডিয়াক!
এরপর কেটে গেছে অর্ধশতাব্দীর বেশি সময়। হাজারো সূত্র পরীক্ষা করা হয়েছে, শত শত সন্দেহভাজনকে ঘিরে তত্ত্ব তৈরি হয়েছে, আধুনিক ডিএনএ প্রযুক্তি পর্যন্ত কাজে লাগানোর চেষ্টা হয়েছে। তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত সাংকেতিক বার্তার একটি ৫১ বছর পর ভাঙাও সম্ভব হয়েছে।
তবু একটি প্রশ্নের উত্তর আজও নেই- জোডিয়াক কিলার আসলে কে ছিলেন?
হত্যাযজ্ঞের শুরু
জোডিয়াকের সঙ্গে নিশ্চিতভাবে যুক্ত প্রথম হত্যাকাণ্ড ঘটে ১৯৬৮ সালের ২০ ডিসেম্বর। ক্যালিফোর্নিয়ার বেনিশিয়ার কাছে লেক হারম্যান রোডে গাড়ি নিয়ে বেরিয়েছিলেন ১৭ বছরের ডেভিড ফ্যারাডে ও ১৬ বছরের বেটি লু জেনসেন। নির্জন জায়গায় তাঁদের ওপর হামলা হয়। দুজনকেই গুলি করে হত্যা করা হয়।

তখন অবশ্য কেউ জানত না, এই হত্যাকাণ্ড ভবিষ্যতের একটি ভয়াবহ সিরিজের সূচনা হতে পারে।
প্রায় সাড়ে ছয় মাস পর, ১৯৬৯ সালের ৪ জুলাই রাতে, ভ্যালেহোর ব্লু রক স্প্রিংস পার্কে গাড়ির ভেতরে ছিলেন ২২ বছর বয়সী ডার্লিন ফেরিন ও ১৯ বছরের মাইকেল মাজো। আরেকটি গাড়ি তাঁদের কাছে এসে চলে যায়, কিছুক্ষণ পর আবার ফিরে আসে। হামলাকারী নেমে এসে তাঁদের ওপর একের পর এক গুলি চালান। ফেরিন মারা যান। মারাত্মক আহত হলেও মাজো বেঁচে যান।
এর কয়েক মিনিট পর ভ্যালেহো পুলিশ একটি ফোন পায়। এক পুরুষ কণ্ঠ হত্যার দায় স্বীকার করে এবং আগের বছর লেক হারম্যান রোডে দুই কিশোর-কিশোরীকে হত্যার কথাও জানায়!
কিন্তু জনসমক্ষে জোডিয়াক আসলেন কয়েক সপ্তাহ পর।
খুনি নিজেই যখন নিজের ঢোল পেটান!
১৯৬৯ সালের ৩১ জুলাই সান ফ্রান্সিসকো ক্রনিকল, সান ফ্রান্সিসকো এক্সামিনার এবং ভ্যালেহো টাইমস-হেরাল্ড পত্রিকায় প্রায় একই ধরনের তিনটি চিঠি পাঠানো হয়। লেখক আগের দুই হামলার এমন কিছু বিবরণ দেন, যা তদন্তকারীদের কাছে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ছিল। প্রতিটি চিঠির সঙ্গে ছিল একটি বড় সাংকেতিক বার্তার এক-তৃতীয়াংশ।
শর্তও দিলেন সেই প্রেরক- সাইফারগুলো পত্রিকার প্রথম পাতায় ছাপাতে হবে, না হলে তিনি আবার হত্যা করবেন!
৪ আগস্ট সান ফ্রান্সিসকো এক্সামিনারে পাঠানো আরেকটি চিঠিতে প্রথমবার তিনি নিজের পরিচয় দেন ‘Zodiac‘ নামে। কেন এই নাম বেছে নিয়েছিলেন, তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। তাঁর ব্যবহৃত বৃত্তের মাঝ দিয়ে ক্রস আঁকা প্রতীকটিও পরে জোডিয়াক নামের সঙ্গে স্থায়ীভাবে জড়িয়ে যায়।

প্রথম সাইফারে ছিল ৪০৮টি চিহ্ন। পুলিশ বা কোনো গোয়েন্দা সংস্থা না, বরং এটি ভাঙেন ক্যালিফোর্নিয়ার স্কুলশিক্ষক ডোনাল্ড হার্ডেন ও তাঁর স্ত্রী বেটি হার্ডেন। বার্তার মূল বক্তব্য ছিল ভয়ংকর। লেখক মানুষ হত্যা করতে আনন্দ পান বলে দাবি করেন এবং মৃত্যুর পর তাঁর নিহতরা তাঁর ‘দাস’ হবে, এমন এক বিকৃত বিশ্বাসের কথাও লেখেন! এর শেষের ১৮টি চিহ্ন অবশ্য পড়া যায়নি।

জোডিয়াক বুঝতে পেরেছিলেন, সংবাদমাধ্যমকে কাজে লাগিয়ে তিনি একটি ভয়ংকর চরিত্র তৈরি করতে পেরেছেন। এরপর হত্যা এবং প্রচার যেন একই পরিকল্পনার দুই অংশ হয়ে ওঠে!
লেক বেরিয়েসায় মুখোশধারী মানুষ
১৯৬৯ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর লেক বেরিয়েসার ধারে সময় কাটাচ্ছিলেন কলেজশিক্ষার্থী ব্রায়ান হার্টনেল ও সেসিলিয়া শেপার্ড। তাঁদের কাছে এগিয়ে আসেন অদ্ভুত পোশাক পরা এক ব্যক্তি। মাথায় কালো হুড, বুকের ওপর জোডিয়াকের ক্রসহেয়ার প্রতীক।
লোকটি প্রথমে দাবি করেন- তিনি এক পালিয়ে আসা কয়েদি। তার টাকা ও গাড়ি দরকার। পরে দুজনকে বেঁধে ছুরি দিয়ে একাধিকবার আঘাত করেন। হার্টনেল বেঁচে যান। শেপার্ড দুই দিন পর মারা যান।
হামলাকারী চলে যাওয়ার আগে হার্টনেলের গাড়ির দরজায় আগের হামলার তারিখগুলো লিখে তার নিচে নতুন হামলার তারিখ যোগ করেন। পরে একজন ব্যক্তি পুলিশকে ফোন করে এই আক্রমণের দায়ও স্বীকার করেন!
জোডিয়াকের পরিচিত চার হামলার মধ্যে এটি ব্যতিক্রম ছিল। আগের হামলাগুলোয় আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা হলেও এখানে ছিল ছুরি, মুখোশ এবং আগেই তৈরি করে আনা পোশাক। ঘটনাটি থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়- তাঁর হত্যার পদ্ধতি একরকম ছিল না।
এর মাত্র দুই সপ্তাহ পর নিহত হন ট্যাক্সিচালক পল স্টাইন। এটিই আইনশৃঙ্খলা কর্তৃপক্ষের মতে জোডিয়াকের শেষ ‘নিশ্চিত’ হত্যাকাণ্ড।
চারটি নিশ্চিত হামলায় পাঁচজন নিহত এবং দুজন বেঁচে যান। অথচ নিজের চিঠিতে জোডিয়াক পরবর্তী সময়ে নিহতের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়াতে থাকেন। ১৯৭৪ সালের একটি চিঠিতে তাঁর দাবি পৌঁছায় ৩৭ জনে। সেই সংখ্যার পক্ষে প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
৩৪০ অক্ষরের ধাঁধা
পল স্টাইন হত্যার এক মাসেরও কম সময় পর, ১৯৬৯ সালের ৮ নভেম্বর সান ফ্রান্সিসকো ক্রনিকলে নতুন একটি সাইফার আসে। এতে ৩৪০টি চিহ্ন ছিল। পরে এটি পরিচিত হয় ‘জেড-৩৪০’ নামে।
প্রথম সাইফার দ্রুত ভেঙে যাওয়ায় অনেকেই ধারণা করেছিলেন- নতুনটাও দ্রুত সমাধান হবে। হয়নি। পেশাদার ক্রিপ্ট্যানালিস্ট থেকে অপেশাদার কোডব্রেকার, অগণিত মানুষ চেষ্টা করেছেন। পাঁচ দশক ধরে সাইফারটি অমীমাংসিতই থেকে যায়।
অবশেষে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে আমেরিকান সফটওয়্যার ডেভেলপার ডেভিড ওরানচাক, অস্ট্রেলিয়ার স্যাম ব্লেক এবং বেলজিয়ামের প্রোগ্রামার ইয়ার্ল ভ্যান আইকের দল সাইফারটি ভাঙতে সক্ষম হয়। এফবিআই তাদের সমাধান যাচাই করে। সাইফারটিতে সাধারণ প্রতিস্থাপন পদ্ধতির পাশাপাশি Unusual Transposition Method ব্যবহৃত হয়েছিল।
আরও দুটি ছোট সাইফার, ১৩ অক্ষরের তথাকথিত “My Name Is” সাইফার এবং ৩২ অক্ষরের ম্যাপ কোড নিয়ে বহু সমাধানের দাবি উঠেছে। কিন্তু এগুলোর কোনো সর্বজনস্বীকৃত সমাধান নেই।
সন্দেহভাজনদের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত নাম
জোডিয়াক নিয়ে তদন্তে অসংখ্য মানুষের নাম উঠেছে। তাদের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত আর্থার লি অ্যালেন।
ভ্যালেহোর বাসিন্দা অ্যালেনকে পুলিশ দীর্ঘদিন তদন্ত করেছিল। তাঁর বিষয়ে বেশ কিছু সূত্র তদন্তকারীদের আগ্রহী করে তোলে। তিনি একটি জোডিয়াক ব্র্যান্ডের ঘড়ি পরতেন, যার লোগোর সঙ্গে খুনির ব্যবহৃত ক্রসহেয়ার চিহ্নের মিল ছিল। একটি পুরনো সাক্ষাৎকারে তিনি The Most Dangerous Game গল্প পছন্দ করার কথাও বলেছিলেন, যে ধরনের ধারণা জোডিয়াকের একটি বার্তার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। বেঁচে যাওয়া মাইকেল মাজো বহু বছর পর একটি ছবি দেখে অ্যালেনকে শনাক্তও করেছিলেন বলে সংবাদমাধ্যমে উল্লেখ আছে।
তবু সন্দেহ আর প্রমাণ এক জিনিস না।
অ্যালেনের বিরুদ্ধে কখনো জোডিয়াক হত্যার অভিযোগ গঠন করা হয়নি। ১৯৯২ সালে তিনি মারা যান। জোডিয়াকের চিঠির স্ট্যাম্প থেকে পাওয়া আংশিক ডিএনএ প্রোফাইলের সঙ্গে ২০০২ সালে তাঁর নমুনার মিল পাওয়া যায়নি। তবে সেই ডিএনএ নমুনা অসম্পূর্ণ ছিল, এবং সেটি সত্যিই জোডিয়াকের ছিল কি না, সেই প্রশ্নও তদন্তের সীমাবদ্ধতার অংশ।
পরবর্তী দশকগুলোয় আরও বহু ব্যক্তিকে জোডিয়াক হিসেবে দাবি করা হয়েছে। কখনো কোনো পরিবারের সদস্য, কখনো মৃত কোনো ব্যক্তি, আবার কখনো বেসরকারি তদন্তকারী দলের ঘোষণায় নতুন নাম সামনে এসেছে। কিন্তু সরকারি তদন্তকারীরা এসব দাবির কোনোটিকেই জোডিয়াকের পরিচয়ের চূড়ান্ত সমাধান হিসেবে গ্রহণ করেননি।
চেরি জো বেটস কি জোডিয়াকের শিকার?
জোডিয়াককে ঘিরে আরেক বহুল আলোচিত নাম ১৮ বছর বয়সী চেরি জো বেটস। ১৯৬৬ সালের অক্টোবরে ক্যালিফোর্নিয়ার রিভারসাইড সিটি কলেজ এলাকায় তাঁকে হত্যা করা হয়। পরবর্তী সময়ে কিছু চিঠি ও লেখার কারণে হত্যাকাণ্ডটির সঙ্গে জোডিয়াকের সম্ভাব্য সংযোগ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছিল।
কিন্তু রিভারসাইড পুলিশ বর্তমানে বেটস হত্যাকে নিজেদের পৃথক তদন্ত হিসেবেই দেখছে।
আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, ২০১৬ সালে পাওয়া একটি চিঠির সূত্র ধরে তদন্ত করে পুলিশ এমন একজনকে শনাক্ত করে, যিনি কিশোর বয়সে জোডিয়াক সেজে কিছু চিঠি পাঠানোর কথা স্বীকার করেন। ডিএনএ বিশ্লেষণ ও সাক্ষাৎকারের পর পুলিশ নিশ্চিত হয়, তিনি চেরি জো বেটসের খুনি বা জোডিয়াক নন। রিভারসাইড পুলিশ তাই স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, তারা বেটস হত্যার নিজস্ব সন্দেহভাজনকে কেন্দ্র করেই তদন্ত চালাচ্ছে।
এত বছরেও একজন খুনিকে ধরা গেল না কেন?
আজকের ফরেনসিক প্রযুক্তির যুগ থেকে ১৯৬৮ বা ১৯৬৯ সালের তদন্তকে বিচার করলে একটি মৌলিক পার্থক্য নজর এড়িয়ে যেতে পারে। তখন ডিএনএ প্রোফাইলিংয়ের অস্তিত্বই ছিল না। সম্ভাব্য প্রমাণ এমনভাবে সংরক্ষণও করা হয়নি, যাতে অর্ধশতাব্দী পর জেনেটিক বিশ্লেষণ সহজে করা যাবে।
জোডিয়াকের চিঠি, খাম ও অন্যান্য আলামত বহু মানুষের হাতে গেছে। অপরাধস্থল থেকেও এমন কোনো সম্পূর্ণ এবং নিশ্চিত ডিএনএ নমুনা পাওয়া যায়নি, যেটিকে নিঃসন্দেহে খুনির বলে ধরে আধুনিক জেনেটিক জিনিয়োলজি ব্যবহার করা যায়।
নাপা কাউন্টির সংরক্ষিত আলামত নতুন করে পরীক্ষার উদ্যোগেও ব্যবহারযোগ্য ডিএনএ পাওয়া যায়নি বলে সংশ্লিষ্ট তদন্তকারীরা জানিয়েছেন। সান ফ্রান্সিসকোর হাতে থাকা আংশিক নমুনারও সীমাবদ্ধতা রয়েছে।
ষাটের দশকের শেষদিকে আজকের মতো ডিজিটাল ডেটাবেস, মোবাইল লোকেশন, সিসিটিভি নেটওয়ার্ক বা দ্রুত আন্তঃসংস্থা তথ্য বিনিময়ের সুযোগও ছিল না। এই সবকিছু মিলেই তদন্তকে আরও কঠিন করে তোলে।
সত্যি বলতে, ইতিহাসে জোডিয়াকের চেয়ে অনেক বেশি মানুষ হত্যা করা সিরিয়াল কিলার রয়েছে। তাঁকে আলাদা করেছে অন্য এক বিষয়: তিনি অপরাধের পাশাপাশি নিজের একটি পাবলিক ইমেজ তৈরি করেছিলেন।

সংবাদপত্র ছিল তাঁর নাট্যমঞ্চ। সাইফার ছিল পাঠকের সাথে সংযোগের উপায়। প্রতীক ছিল তাঁর লোগো। আর পুলিশকে বিদ্রূপ করা ছিল সেই পরিচয়ের কেন্দ্রীয় অংশ! আধুনিক ভাষায় বললে, একজন অজ্ঞাত খুনি নিজের অপরাধকে ভয়ংকর এক মিডিয়া স্পেকট্যাকলে পরিণত করেছিলেন।
এই কারণেই জোডিয়াক নিয়ে সত্যের পাশাপাশি অসংখ্য মিথ তৈরি হয়েছে। বই, চলচ্চিত্র, ডকুমেন্টারি এবং অনলাইন কমিউনিটি রহস্যটিকে আরও বড় করেছে। প্রায় প্রতি কয়েক বছর পরই কেউ না কেউ নতুন করে দাবি করেন, এবার নাকি তাঁর পরিচয় বেরিয়েছে!
কিন্তু সত্যিটা হলো- চারটি নিশ্চিত হামলা, পাঁচজন নিহত, দুজন বেঁচে যাওয়া মানুষ, কয়েকটি চিঠি ও সাইফার, বিপুল পরিমাণ ডকুমেন্টের পরও আজ পর্যন্ত জোডিয়াকের টিকিটারও সন্ধান পায়নি এফবিআই। তাদের আর্কাইভে আজও মামলাটির বিস্তারিত রেকর্ড রয়েছে।
হয়তো ভবিষ্যতের আরও উন্নত ফরেনসিক টেকনোলজি একদিন একটি নাম সামনে নিয়ে আসবে। আবার এমনও হতে পারে, জোডিয়াকের প্রকৃত পরিচয় সেই মানুষের সঙ্গেই কবরে চলে গেছে! তবে রয়ে গেছে তার তৈরি রহস্য, টিকেও থাকবে সামনের দিনগুলোতে।
ফিচার ইমেজ: এআই জেনারেটেড
References
- Zodiac Killer: Why sleuths are still obsessed with S.F.’s most notorious serial killer – October 22, 2023 – San Francisco Chronicle
- Zodiac still a puzzle 50 years later – June 24, 2021 – San Francisco Chronicle
- FBI Records: The Vault – The Zodiac Killer – FBI – Federal Bureau of Investigation
- The Zodiac Killer sent a cipher 51 years ago. A team of amateur code-breakers just cracked it – December 11, 2020 – The Washington Post
- The Solution of the Zodiac Killer’s 340-Character Cipher – March 26, 2024 – arXiv
- Will DNA submitted to genealogy sites also finally catch the Zodiac Killer? – May 2, 2018 – San Francisco Chronicle
- Who was the Zodiac Killer? I covered the case for decades; here are my final thoughts – January 2025 – San Francisco Chronicle