Skip to main content

Ridge Bangla

আজাদ কাশ্মীরে নির্বাচন ঘিরে সহিংসতায় ৩০ জনের বেশি নিহত

পাকিস্তানের আজাদ কাশ্মীরে আঞ্চলিক নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ৩০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গত ২৭ জুলাই অনুষ্ঠিত এই নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক ও সামাজিক অধিকার আন্দোলন জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি।

সংগঠনটির নেতাদের দাবি, চলতি সপ্তাহের শুরুতে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে ৩০ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটে। জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটির সদস্য সরদার উমর নাজির বলেন, গত সোমবার (২৭ জুলাই) প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণের দিন একটি মিছিলে তাদের ২০ জন সমর্থক নিহত হন। তার দাবি, পরদিন রাওয়ালকোট, মিরপুর ও অন্যান্য শহরে অবস্থান ধর্মঘট চলাকালে আরও অন্তত ১০ জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন।

একটি ভিডিও বার্তায় সরদার উমর নাজির বলেন, “আমাদের দাবি শান্তিপূর্ণ ছিল। তবু, আমাদের ওপর গুলি চালানো হয়েছে।”

অন্যদিকে, পাকিস্তানের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সোমবারের সংঘর্ষে নিরাপত্তা বাহিনীর ১ সদস্য নিহত হয়েছেন এবং আরও ৫ জন আহত হয়েছেন।

মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি ব্যবহারের খবরকে উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেছে। একই সঙ্গে সংস্থাটি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে।

সংঘাত পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এসিএলইডির জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক পিয়ার পান্ডিয়া বলেছেন, কাশ্মীরে এই সহিংসতা পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করবে।

এদিকে, সোমবার আজাদ কাশ্মীরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ১৩টি আসনের মধ্যে ৯টিতে জয় পেয়েছে পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন পিএমএল-এন।

পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের দাবি, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সশস্ত্র ও ‘ভারত-সমর্থিত’ গোষ্ঠীগুলোও যুক্ত হয়েছে। তবে এর আগে ভারত এ ধরনের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।

This post was viewed: 4

আরো পড়ুন