Skip to main content

Ridge Bangla

মিসরের দামিয়েত্তা বন্দরে ট্যাংকারে বিস্ফোরণ, ড্রোন হামলার দাবি

মিসরের ভূমধ্যসাগরীয় বন্দর দামিয়েত্তায় একটি মার্কিন মালিকানাধীন ট্যাংকারে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা অ্যামব্রে দাবি করেছে, ড্রোন হামলার ফলেই এ বিস্ফোরণ ঘটে। বুধবার (২৯ জুলাই) বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।

অ্যামব্রের তথ্য অনুযায়ী, দামিয়েত্তা বন্দরে নোঙর করা মার্কিন মালিকানাধীন একটি ট্যাংকার ড্রোনের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

অন্যদিকে বন্দরসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ইঞ্চকেপ জানিয়েছে, বন্দরে থাকা দুটি গ্যাসবাহী ট্যাংকারে আগুন লেগেছে।

বাণিজ্যিক খাতের তিনটি সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ড্রোনটি ভাসমান তেলবাহী ট্যাংকার ‘এনার্গোস উইন্টার’-এ আঘাত হানে। এতে জাহাজটিতে আগুন ধরে যায়। পরে সেই আগুন ‘গ্যাসলগ সালেম’ নামের আরেকটি জাহাজেও ছড়িয়ে পড়ে। পৃথক দুটি নিরাপত্তা সূত্রও জানিয়েছে, ড্রোন হামলার ফলেই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

অ্যামব্রে জানিয়েছে, বিস্ফোরণের পর জাহাজে থাকা কর্মীদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। তবে এ হামলার দায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ স্বীকার করেনি।

এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্য করে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বুধবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “তেহরানকে এর জন্য চরম মূল্য দিতে হবে।”

জর্ডানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের হামলার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা তাদের ভয়াবহভাবে আঘাত করব। আমরা তাদের ওপর প্রচণ্ড হামলা চালাব। তারা এর কঠিন মূল্য দেবে।”

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড দাবি করেছে, জর্ডানে লক্ষ্য করে ছোড়া ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছানোর আগেই মাঝআকাশে ভূপাতিত করা হয়েছে। ওই দাবির পরই ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে কড়া সতর্কবার্তা দেন ট্রাম্প।

ট্রাম্প বলেন, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলাটি ছিল “আকস্মিক হামলা” এবং ক্ষেপণাস্ত্রগুলো জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে পৌঁছানোর আগে প্রতিক্রিয়া জানানোর জন্য মার্কিন সেনাদের হাতে মাত্র কয়েক মিনিট সময় ছিল।

This post was viewed: 14

আরো পড়ুন