Skip to main content

Ridge Bangla

ইরানের বিরুদ্ধে ফের কঠোর সামরিক পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্য করে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর তেহরানকে কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এ হামলার জন্য ইরানকে চরম মূল্য দিতে হবে।

জর্ডানে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলার প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প বলেন, “আমরা তাদের ভয়াবহভাবে পেটাবো। আমরা তাদের ওপর প্রচণ্ড আঘাত হানব। তারা চরম মার খেতে যাচ্ছে।”

মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি, ইরানের ছোড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছানোর আগেই মাঝআকাশে ধ্বংস করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের এই দাবির পরই ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে আরও কঠোর অবস্থান জানান ট্রাম্প।

তিনি হামলাটিকে “আকস্মিক হামলা” হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র পৌঁছানোর আগে প্রতিক্রিয়া জানানোর জন্য মার্কিন সেনাদের হাতে মাত্র কয়েক মিনিট সময় ছিল।

রিপাবলিকান এই নেতা আরও দাবি করেন, ভিডিও ফুটেজে তিনি মার্কিন সেনাদের তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত, সেগুলোর অবস্থান নির্ধারণ এবং আঘাত হানার আগেই ধ্বংস করতে দেখেছেন। তার ভাষ্য, এ কারণেই ইরানের কোনো ক্ষেপণাস্ত্র মার্কিন ঘাঁটিতে আঘাত হানতে পারেনি।

এই ঘটনার পর ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা আরও বেড়েছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, মঙ্গলবার ভোররাতে ইরানের অভ্যন্তর থেকে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্য করে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় সংস্থাটি এটিকে মার্কিন বাহিনীর ওপর আকস্মিক হামলার চেষ্টা বলে উল্লেখ করেছে।

সেন্ট্রাল কমান্ড হামলার নির্দিষ্ট স্থান প্রকাশ না করলেও মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে দেশটির সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর মূল লক্ষ্য ছিল জর্ডানে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি।

অন্যদিকে, ইরাকে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের যৌথ বিমান হামলার বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, ইরাক সরকারের সঙ্গে পূর্ণ সমন্বয় করেই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

তিনি ইরান-সমর্থিত এসব মিলিশিয়া গোষ্ঠীকে বিশ্বের জন্য “ক্যান্সার” আখ্যা দিয়ে বলেন, তেহরানের আঞ্চলিক মিত্রদের ওপর চাপ অব্যাহত রাখবে ওয়াশিংটন।

তবে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেও ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত থাকবে বলে জানান ট্রাম্প। তার ভাষ্য, পুরো অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনা বাড়লেও মার্কিন মধ্যস্থতাকারীরা তেহরানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাবেন।

This post was viewed: 5

আরো পড়ুন