Skip to main content

Ridge Bangla

রামপালে খানজাহান আলী বিমানবন্দর প্রকল্পে নতুন গতি, এলাকা ঘুরে দেখল চীনা প্রতিনিধি দল

দীর্ঘদিন ধরে স্থবির হয়ে থাকা বাগেরহাটের রামপালের খানজাহান আলী বিমানবন্দর নির্মাণ প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই করতে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছে চীনা একটি কোম্পানির প্রতিনিধি দল। এ পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে প্রকল্পটি নতুন করে বাস্তবায়নের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

শনিবার বিকেলে প্রতিনিধি দলটি বিমানবন্দর নির্মাণের জন্য নির্ধারিত এলাকা ঘুরে দেখে। এ সময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, বিভিন্ন সরকারি সংস্থার প্রতিনিধি এবং স্থানীয় বিএনপির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রায় ৩০ বছর আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া রামপালে খানজাহান আলী বিমানবন্দরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। সে সময় প্রকল্পের জন্য ৭৫ একর জমি অধিগ্রহণ করা হলেও নানা জটিলতায় নির্মাণকাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি।

পরে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিমানবন্দর নির্মাণের জন্য আরও ৫০০ একরের বেশি জমি অধিগ্রহণ করা হয়। একই সঙ্গে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ এবং কিছু এলাকায় মাটি ভরাটের কাজও সম্পন্ন হয়। পরে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের ভিত্তিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হলেও কোনো কোম্পানি বা সংস্থা আগ্রহ না দেখানোয় কাজ আর এগোয়নি।

পরিদর্শন শেষে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, খানজাহান আলী বিমানবন্দর নির্মিত হলে এ অঞ্চলের অর্থনীতি আরও সমৃদ্ধ হবে এবং মোংলা বন্দরের সক্ষমতাও বাড়বে।

তিনি আরও বলেন, বিমানবন্দর চালু হলে সুনীল অর্থনীতি, রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল, অর্থনৈতিক অঞ্চল, সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটন এবং পণ্য পরিবহনের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি এ অঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থারও উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন ঘটবে।

পরিদর্শনকালে খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রশাসক ও খুলনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা, বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, চীনা কোম্পানির প্রতিনিধি মি. পিটারসহ বিএনপির অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এলাকা পরিদর্শনের পর চীনা প্রতিনিধি মি. পিটার সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমি প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছি। সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করব। আমরা এ প্রকল্পের বিষয়ে আন্তরিক।’

চীনা প্রতিনিধি দলের এই সফরের পর দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা খানজাহান আলী বিমানবন্দর নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নে নতুন গতি সঞ্চারের আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

This post was viewed: 6

আরো পড়ুন