Skip to main content

Ridge Bangla

মাদক ও কিশোর গ্যাং এখন সামাজিক ব্যাধি: পরিবেশমন্ত্রী

মাদক ও কিশোর গ্যাং সারা দেশে সামাজিক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। তিনি বলেন, খেলাধুলার প্রসারের মাধ্যমে তরুণদের সুস্থ বিকাশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের মাদক ও কিশোর গ্যাং থেকে দূরে রাখা সম্ভব।

শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে ফেনী শহরের একটি কনভেনশন হলে চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচি চালু করেছেন। এই উদ্যোগ ছেলে-মেয়েদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ভূমিকা রাখবে এবং তাদের অপরাধপ্রবণতা থেকে দূরে রাখতে সহায়তা করবে।

ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, কার্যকর আইনশৃঙ্খলা, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সামাজিক নিরাপত্তা ছাড়া ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি বলেন, দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রচেষ্টার কোনো ঘাটতি নেই।

তিনি আরও বলেন, একটি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সম্পদ সৃষ্টি মূলত ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের মাধ্যমেই সম্ভব। শুধু সম্পদের বণ্টন নয়, নতুন সম্পদ সৃষ্টি করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সুযোগ আরও সম্প্রসারণ করতে হবে।

সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার মধ্যে সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন পরিবেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্যের বিকাশ ঘটলে সামাজিক বৈষম্যও কমে আসে। বর্তমান সময়ে সম্পদের ধারণা বদলে গেছে। প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে মানুষের চিন্তা ও দৃষ্টিভঙ্গিরও পরিবর্তন হয়েছে। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই কাজ করতে হবে।

নিজের ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ব্যবসায়ীদের নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য শুনলে তারও খারাপ লাগে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হলে ব্যবসা-বাণিজ্যের অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় নতুন কর্মসংস্থান ও সম্পদ সৃষ্টি ব্যাহত হবে। তিনি বলেন, রাজনীতি অর্থনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করে, আবার অর্থনীতির বিকাশ রাজনীতিকেও ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক জয়নাল আবেদিন, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু, জেলা প্রশাসক মনিরা হক, পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক এম এ খালেক।

এ সময় বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধি, রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী এবং সংশ্লিষ্ট সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

This post was viewed: 4

আরো পড়ুন