Skip to main content

Ridge Bangla

হানিট্র্যাপের ফাঁদে যুবক, টাকা আদায়ের অভিযোগে দুই নারী ও পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে এক যুবককে হানিট্র্যাপের মাধ্যমে ফ্ল্যাটে ডেকে এনে আটকে রেখে টাকা দাবি ও নির্যাতনের অভিযোগে দুই নারী ও এক পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্তদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিক চক্রের কার্যক্রমের আলামত এবং আপত্তিকর ছবি-ভিডিও পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন পাপিয়া আক্তার (২৬), তার স্বামী ও পুলিশ সদস্য সজীব মিয়া এবং তাদের সহযোগী মাসুমা আক্তার (২৪)। সজীব ঢাকা মহানগর পুলিশ সদর দপ্তরে কর্মরত এবং বর্তমানে সাময়িক বরখাস্ত রয়েছেন।

পুলিশ জানায়, কালিয়াকৈর পৌরসভার বিশ্বাসপাড়া এলাকার একটি আবাসিক ভবনে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছিলেন পাপিয়া, তার স্বামী সজীব ও মাসুমা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন উপায়ে তারা মানুষের সঙ্গে পরিচয় গড়ে তুলতেন। এভাবেই তাদের ফাঁদে পড়েন সাইমন ইসলাম নামে এক যুবক।

শুক্রবার রাত ৭টার দিকে সাইমনকে বিশ্বাসপাড়া এলাকার মদিনা নামের একটি ভবনের সপ্তম তলায় পাপিয়ার কক্ষে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর কক্ষের দরজা বন্ধ করে পাপিয়া ও তার স্বামী সজীব তাকে মারধর শুরু করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

একপর্যায়ে সাইমন কক্ষের ভেতর থেকে বারান্দায় গিয়ে দরজা বন্ধ করে চিৎকার করলে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে সজীব উল্টো তার স্ত্রীর সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ এনে ওই যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন।

তবে তদন্তে সজীবের কাছ থেকে একটি হাতকড়া ও পুলিশের কটি উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের মোবাইল ফোন তল্লাশি করে হানিট্র্যাপের প্রমাণ পাওয়ার দাবি করে পুলিশ। এরপর তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এই চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

This post was viewed: 5

আরো পড়ুন