Ridge Bangla

দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভে সংঘর্ষ, আহত ১১৮ পুলিশ, আটক ৭০ জন

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তর ও আশপাশের এলাকায় ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১১৮ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। একই ঘটনায় হামলা, সহিংসতা ও সরকারি সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগে ৭০ জন বিক্ষোভকারীকে আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দিল্লি পুলিশের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

ভারতের প্রধান তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজি বা নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁসের তদন্ত এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে গত ৬ জুন থেকে আন্দোলন করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক গ্রুপ ককরোচ জনতা পার্টি।

সোমবার তাদের পূর্বঘোষিত ‘সংসদ চলো’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে যন্তর মন্তর থেকে সংসদ অভিমুখে পদযাত্রা শুরু হয়। তবে কর্মসূচি শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ তা আটকে দেয় এবং বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, এ সময় পুলিশ লাঠিচার্জও করে।

পরে বিক্ষোভকারীরা আবার যন্তর মন্তর এলাকায় জড়ো হয়ে কর্মসূচি শুরু করার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। এর পরই দুই পক্ষের মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়।

দিল্লি পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আটক হওয়া বিক্ষোভকারীরা পুলিশের দিকে ইট-পাটকেল ও পাথর নিক্ষেপ করেছেন, বারবার ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেছেন এবং সরকারি যানবাহন ও সম্পদের ক্ষতি করেছেন। এছাড়া তাদের কর্মকাণ্ড রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করতে পারত বলেও দাবি করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, আহত ১১৮ জনের মধ্যে সাধারণ সদস্যদের পাশাপাশি নয়াদিল্লি পুলিশের স্পেশাল কমিশনার, জয়েন্ট কমিশনার, অ্যাডিশনাল কমিশনার, ডেপুটি কমিশনার, অ্যাডিশনাল ডেপুটি কমিশনার, অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার এবং কয়েকজন নারী পুলিশ সদস্যও রয়েছেন।

একই বিবৃতিতে পুলিশের পক্ষ থেকে স্বীকার করা হয়েছে যে, লাঠিচার্জে ককরোচ জনতা পার্টির সমর্থকদেরও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। তাদের তথ্য অনুযায়ী, সোমবারের সংঘর্ষে ৬০ জন বিক্ষোভকারী আহত হয়েছেন।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, আহতদের কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হলেও বাকিদের মধ্যে অনেকে এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

This post was viewed: 5

আরো পড়ুন