রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারের কনডেম সেলে রাখা হয়েছে। রায় ঘোষণার পর সোহেলকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার এবং স্বপ্নাকে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।
কারা অধিদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (উন্নয়ন) মো. জান্নাত-উল ফরহাদ জানান, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্যান্য বন্দিদের মতোই তাদের রাখা হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কারা কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
তিনি বলেন, ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত বন্দিদের সাধারণত একা রাখা হয় না। রায়ের পর মানসিক চাপ ও আত্মহানির ঝুঁকি বিবেচনায় একই সেলে একাধিক বন্দিকে রাখা হয়ে থাকে।
এর আগে গত ৭ জুন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করে। বিচারক মাসরুর সালেকীন সোহেল ও স্বপ্নাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। পাশাপাশি সোহেলকে ৫ লাখ এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
মামলার রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি ও নথিপত্র উচ্চ আদালতে ডেথ রেফারেন্স শুনানির জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আইন অনুযায়ী, নিম্ন আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার আগে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন প্রয়োজন।
মামলাটি মাত্র ছয় কার্যদিবসে নিষ্পত্তি হওয়ায় এটি দেশের বিচারিক ইতিহাসে দ্রুততম বিচারপ্রক্রিয়ার অন্যতম উদাহরণ হিসেবে আলোচনায় এসেছে।