দীর্ঘ ৬০ বছরের বিশ্বকাপ খরা কাটানোর লক্ষ্যে দল ঘোষণা করে বড় চমক দেখিয়েছেন ইংলিশ কোচ থমাস টুখেল। তার ঘোষিত চূড়ান্ত স্কোয়াডে জায়গা হয়নি হ্যারি ম্যাগুয়ার, কোল পালমার, ফিল ফোডেন ও ট্রেন্ট আলেকজান্ডার-আর্নল্ডের মতো পরিচিত তারকাদের। ক্লাব পর্যায়ে তাদের সাম্প্রতিক অফ-ফর্মের প্রভাব পড়েছে জাতীয় দলেও।
সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি এসেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার হ্যারি ম্যাগুয়ারের জন্য। দল থেকে বাদ পড়ার খবর প্রকাশের পর সামাজিক মাধ্যমে হতাশা প্রকাশ করে তিনি জানান, চলতি মৌসুমের পারফরম্যান্স বিবেচনায় বিশ্বকাপে ভূমিকা রাখার ব্যাপারে তিনি আত্মবিশ্বাসী ছিলেন।
অন্যদিকে, সবাইকে অবাক করে স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছেন সৌদি ক্লাব আল-আহলিতে খেলা স্ট্রাইকার ইভান টনি। এছাড়া তরুণ অ্যাডাম ওয়ার্টনের বদলে অভিজ্ঞ জর্ডান হেন্ডারসনের ওপর আস্থা রেখেছেন টুখেল।
ম্যাগুয়ারের সঙ্গে দলে সুযোগ হয়নি লুক শ’রও। তবে চোট সমস্যায় থাকা জন স্টোনসকে দলে রেখেছেন ইংল্যান্ড কোচ। দল থেকে বাদ পড়েছেন লিডস স্ট্রাইকার ডমিনিক কালভার্ট-লুইনও।
আগামী ১৭ জুন ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে থ্রি-লায়ন্সরা।
ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ স্কোয়াড:
গোলকিপার: জর্ডান পিকফোর্ড (এভারটন), ডিন হেন্ডারসন (ক্রিস্টাল প্যালেস), জেমস ট্রাফোর্ড (ম্যান সিটি)।
ডিফেন্ডার: রিস জেমস (চেলসি), টিনো লিভরামেন্টো, ড্যান বার্ন (নিউক্যাসল), মার্ক গুয়েহি, জন স্টোনস, নিকো ও’রাইলি (ম্যান সিটি), এজরি কোনসা (অ্যাস্টন ভিলা), জ্যারেল কোয়ানসাহ (বায়ার লেভারকুসেন), জেড স্পেন্স (টটেনহ্যাম)।
মিডফিল্ডার: ডেকলান রাইস (আর্সেনাল), এলিয়ট অ্যান্ডারসন (নটিংহ্যাম ফরেস্ট), জুড বেলিংহাম (রিয়াল মাদ্রিদ), জর্ডান হেন্ডারসন (ব্রেন্টফোর্ড), কোবি মাইনু (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), মরগান রজার্স (অ্যাস্টন ভিলা), এবারিচি এজে (আর্সেনাল)।
ফরোয়ার্ড: হ্যারি কেইন (বায়ার্ন মিউনিখ), ইভান টোনি (আল-আহলি), ওলি ওয়াটকিন্স (অ্যাস্টন ভিলা), বুকায়ো সাকা, ননি মাদুয়েকে (আর্সেনাল), মার্কাস রাশফোর্ড (বার্সেলোনা), অ্যান্থনি গর্ডন (নিউক্যাসল)।