সৌদি আরব ও কাতারের একাধিক জ্বালানি স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, বিশ্বের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র সাউথ পার্সে ইসরায়েলি হামলার জবাব হিসেবেই এই পাল্টা পদক্ষেপ নেয় তেহরান।
কাতারের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান কাতার এনার্জি জানিয়েছে, রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে হামলায় উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অন্যদিকে সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাজধানী রিয়াদের দিকে ছোড়া চারটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে এবং পূর্বাঞ্চলের একটি গ্যাস স্থাপনায় ড্রোন হামলার চেষ্টা নস্যাৎ করা হয়েছে।
সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্র ইরান ও কাতারের যৌথ সম্পদ। এ হামলাকে ‘বিপজ্জনক’ আখ্যা দিয়ে কাতার ইসরায়েলকে ভর্ৎসনা করেছে এবং একই সঙ্গে ইরানেরও সমালোচনা করেছে। দোহা ইতোমধ্যে তেহরানের দুই জ্যেষ্ঠ কূটনীতিককে বহিষ্কার করেছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, হামলায় গ্যাস ট্যাংক ও একটি শোধনাগারের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। পাশাপাশি উপসাগরীয় অঞ্চলের একাধিক জ্বালানি স্থাপনাকে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে ইরান।
এদিকে পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা। ইরান কার্যত এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।