সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে শরীয়তপুর জেলার ছয় উপজেলার অন্তত ৩০টি গ্রামের মানুষ শুক্রবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছেন। এসব এলাকার মুসল্লিরা সুরেশ্বর দরবার শরীফের অনুসারী হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দীর্ঘদিন ধরেই এ অঞ্চলের কিছু মানুষ আগাম ঈদ উদযাপন করে আসছেন। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। সৌদি আরবে ঈদ উদযাপনের ঘোষণার পরপরই শরীয়তপুরের এসব গ্রামের মানুষ একই দিনে ঈদ পালনের প্রস্তুতি নেন।
জানা গেছে, জেলার প্রধান ও বৃহত্তম ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর দরবার শরীফ মাঠে। সেখানে সকাল ৯টায় ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া আশপাশের গ্রামগুলোতেও পৃথকভাবে ঈদের জামাতের আয়োজন করা হয়েছে।
দরবার শরীফ সংশ্লিষ্টরা জানান, ধর্মীয় বিশ্বাস ও অনুসৃত পদ্ধতি অনুযায়ী তারা সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদ পালন করেন। তাই দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় একদিন আগে ঈদ উদযাপন করা হয়।
এদিকে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগাম ঈদ উদযাপনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।