ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত তিনজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, বাকিরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।
শুক্রবার (৭ নভেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার ওয়াপদা মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বোয়ালমারীতে বিএনপির দুটি পক্ষ আলাদা কর্মসূচি ঘোষণা করে। উপজেলা বিএনপির একাংশের নেতা শামসুদ্দিন মিয়া তার গ্রুপের কর্মসূচি আয়োজন করেন, অপরদিকে খন্দকার নাসিরুল ইসলাম গ্রুপ র্যালির আয়োজন করে। বিকেলে উভয় পক্ষের সমর্থকরা মুখোমুখি হলে সংঘর্ষ বাধে।
দুই পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপে অন্তত ২০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে সাবেক পৌর কাউন্সিলর মিনহাজুর রহমান লিপন ও রফিকুল ইসলাম গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আছেন। সংঘর্ষের সময় ঝুনু গ্রুপের কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। এ সময় কাজী হারুন শপিং কমপ্লেক্সের সামনে রাখা ১২টি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ এবং আশপাশের দোকানপাট ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
পরে সেনাবাহিনীর একটি দল ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এছাড়া র্যালি থেকে ফেরার পথে ছোলনা এলাকায় নাসির গ্রুপের নেতা লিয়াকত মোল্লাকে কুপিয়ে আহত করা হয়। উপজেলা বিএনপির দুই পক্ষ একে অপরকে দোষারোপ করেছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. আব্দুল্লাহ আল মাসুম জানান, সাতজনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে, তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বোয়ালমারী থানার ওসি মাহমুদুল হাসান বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর হাসান চৌধুরী বলেন, সহিংসতা রোধে প্রশাসন সতর্ক রয়েছে।