আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সব ধরনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব তথ্য জানান।
উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনে কোনো আইনশৃঙ্খলা কর্মকর্তা বা ব্যক্তি যদি কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে কাজ করেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া নির্বাচনের সময় পুলিশ বাহিনী স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারে, সে জন্য শিগগিরই আলাদা পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ জারি করা হবে।
তিনি জানান, ২৪-এর ৫ আগস্টের পর লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারের চেষ্টা চলমান। তবে পার্বত্য চট্টগ্রামের কিছু এলাকা ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সব অস্ত্র উদ্ধার নাও হতে পারে। এছাড়া, আওয়ামী লীগ শাসনের সময় বিদেশে পালিয়ে থাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ফিরিয়ে এনে বিচারের আওতায় আনারও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও উল্লেখ করেন, সেনাবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা নির্বাচনের সময় অব্যাহত থাকবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশসহ অন্যান্য স্বশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা সমন্বিতভাবে কাজ করবেন। তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেশ ও বিদেশ থেকে নির্বাচনের আগে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করার জন্য যে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে, তাদের শনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনা হবে।