গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের কোনাবাড়ি এলাকায় ভাড়া বাসা থেকে পাপিয়া মণ্ডল (২০) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২২ অক্টোবর) সকাল ৮টার দিকে কোনাবাড়ির জরুন এলাকার শিশির খানের বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত পাপিয়া পিরোজপুর সদর উপজেলার পরিতোষ মণ্ডলের মেয়ে এবং শ্রীজন মজুমদারের স্ত্রী। বিয়ের পর তারা কোনাবাড়ির ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন।
স্বামী শ্রীজন মজুমদার জানান, মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) রাত ১২টা পর্যন্ত তারা একসঙ্গে মোবাইল ফোনে ভিডিও দেখছিলেন। পরে দুজন ঘুমিয়ে পড়েন। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখেন, ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলছেন পাপিয়া। তিনি সঙ্গে সঙ্গে আশপাশের ভাড়াটিয়াদের ডাক দেন। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে কোনাবাড়ি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল শেষে তা ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোনাবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাহ উদ্দিন বলেন, “প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে মনে হচ্ছে। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই প্রকৃত কারণ জানা যাবে।” তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা (ইউডি কেস) হয়েছে। তবে যদি তদন্তে হত্যার কোনো আলামত পাওয়া যায়, তাহলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।