Skip to main content

Ridge Bangla

৪৯ হাজার টাকার বিরোধে আরিফ হত্যা, জবানবন্দিতে উঠে এলো পরিকল্পিত হত্যার তথ্য

মাত্র ৪৯ হাজার টাকা পাওনা চাওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে মুন্সীগঞ্জের আরিফ হোসেনকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন। মামলার প্রধান আসামির আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারার জবানবন্দির ভিত্তিতে এ ঘটনায় আরও এক আসামি রুবেল কাজীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পিবিআই জানায়, শুক্রবার (২৪ জুলাই) ভোরে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার পূর্ব শীলমান্দি এলাকায় অভিযান চালিয়ে রুবেল কাজী (৩১)কে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নিহত আরিফ হোসেনের ছোট ভাই আকাশ বেপারী কসাইয়ের কাজ করতেন। সেই সূত্রে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বাসিন্দা নূর মোহাম্মদের কাছে তার প্রায় ৪৯ হাজার টাকা পাওনা ছিল। গত ১৩ জুন সকালে ওই টাকা চাইতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় নূর মোহাম্মদ টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আরিফকে মারধর এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন।

এর পরদিন, ১৪ জুন ভোরে মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের জসিম নগর এলাকার একটি অনাবাদি জমি থেকে আরিফ হোসেনের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের মা ফরিদা বেগম বাদী হয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলার তদন্তভার পাওয়ার পর আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত শুরু করে পিবিআই। একপর্যায়ে মামলার প্রধান আসামি নূর মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতে দেওয়া তার ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে তিনি দাবি করেন, রুবেল কাজীসহ ছয়জন পরিকল্পিতভাবে আরিফকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করে মরদেহ ফেলে রেখে যায়।

পিবিআই জানায়, নূর মোহাম্মদের জবানবন্দি এবং অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করে রুবেল কাজীর অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরপর অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদের ভূমিকা এবং ঘটনার পূর্ণ রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরও তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে।

পিবিআই মুন্সীগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আছমা আরা জাহানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. হায়দার আলী আকনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

This post was viewed: 3

আরো পড়ুন