পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজধানীর বিভিন্ন পশুর হাটে বাড়তে শুরু করেছে কোরবানির পশুর আমদানি। ট্রাকভর্তি গরু, ছাগল ও মহিষ নিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ঢাকায় আসছেন ব্যাপারীরা। কোথাও বাঁশের খুঁটি পুঁতে তৈরি করা হয়েছে অস্থায়ী ঘেরা, কোথাও শামিয়ানা ও ত্রিপল টাঙিয়ে বানানো হয়েছে ছাউনি। তবে এখনো জমে ওঠেনি বেচাকেনা। ক্রেতাদের উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকায় বিক্রেতারা অপেক্ষা করছেন শেষ সময়ের ক্রেতাদের জন্য।
আগামীকাল রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে পশুর হাট শুরু হলেও এরই মধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বসেছে অস্থায়ী হাট। এবার ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের আওতায় মোট ২৪টি পশুর হাট বসছে। এর মধ্যে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতায় ১১টি এবং উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতায় ১২টি অস্থায়ী হাট রয়েছে। এছাড়া গাবতলীর স্থায়ী পশুর হাটও চালু রয়েছে।
শুক্রবার বিভিন্ন হাট ঘুরে দেখা যায়, ব্যাপারীরা পশুর পরিচর্যা ও ক্রেতাদের সঙ্গে দরদামে ব্যস্ত সময় পার করছেন। অনেক ক্রেতা পরিবার নিয়ে হাটে এসে গরু দেখছেন, দাম যাচাই করছেন এবং মোবাইলে ছবি তুলে রাখছেন। তবে অধিকাংশই এখনই পশু কিনছেন না।
চুয়াডাঙ্গা থেকে গরু নিয়ে আসা এক ব্যাপারী বলেন, “এখন মানুষ শুধু বাজার দেখছে। আসল বেচাকেনা ঈদের শেষ দুই-তিন দিনে হবে।” অন্য ব্যবসায়ীরাও আশা করছেন, শেষ মুহূর্তে বাজার জমে উঠবে এবং ভালো দাম পাওয়া যাবে।
ক্রেতাদের অনেকে বলছেন, বর্তমানে গরুর দাম তুলনামূলক বেশি। তাই অনেকে শেষ সময়ে দাম কিছুটা কমার আশায় অপেক্ষা করছেন। বিশেষ করে মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা বেশি দেখা যাচ্ছে।