ভারতের রাজধানী দিল্লিতে সংসদ ভবনের উদ্দেশে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ মিছিল ঘিরে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে আন্দোলনকারীদের দাবি, সংসদ ভবনসংলগ্ন এলাকায় ইন্টারনেট সেবাও সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
সোমবার (২০ জুলাই) সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনের প্রথম দিনে যন্তর মন্তর এলাকা থেকে সংসদ ভবনের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন বিক্ষোভকারীরা। তবে পুলিশ তাদের অগ্রযাত্রায় বাধা দিলে পরিস্থিতি সংঘর্ষের দিকে গড়ায়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য ও র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স মোতায়েন করা হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নিলে অনেকেই সড়কে বসে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, আন্দোলনের ছবি ও ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে সংসদ ভবনসংলগ্ন এলাকায় সাময়িকভাবে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে। তাদের আরও দাবি, সিগন্যাল জ্যামার ব্যবহারের কারণেও মোবাইল ও ইন্টারনেট সেবা বিঘ্নিত হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে বর্ষাকালীন অধিবেশনকে কেন্দ্র করে সংসদ ভবনের বিভিন্ন প্রবেশপথে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেওয়ার সময় কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ।
এর আগে দিল্লি পুলিশ জানিয়েছিল, সংসদ ভবনের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। তা সত্ত্বেও সকাল থেকেই যন্তর মন্তর এলাকায় বিপুলসংখ্যক সমর্থক জড়ো হন। পরে তারা সংসদ ভবনের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয় এবং পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।