Skip to main content

Ridge Bangla

শাপলা চত্বর হত্যা মামলা, হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গ্রহণ

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড মামলায় শেখ হাসিনা, সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ, সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক এ কে এম শহিদুল হক ও বেনজীর আহমেদসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে পলাতক ৩৩ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন ৩ সদস্যের ট্রাইব্যুনাল প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গ্রহণ করে এ আদেশ দেন।

এর আগে চিফ প্রসিকিউটর জানান, শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ জন নিহত হওয়ার প্রমাণ প্রসিকিউশনের হাতে রয়েছে।

মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন শেখ হাসিনা, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক এ কে এম শহিদুল হক, পুলিশের সাবেক উপমহাপরিদর্শক মোল্যা নজরুল ইসলাম, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টামণ্ডলীর সভাপতি শাহরিয়ার কবির, সাবেক উপমহাপরিদর্শক আবদুল জলিল মণ্ডল, সাংবাদিক ফারজানা রুপা এবং মোজাম্মেল বাবু।

এ ছাড়া আসামির তালিকায় রয়েছেন তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীর, তৎকালীন তথ্যমন্ত্রী ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, তৎকালীন খাদ্যমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, তৎকালীন তথ্যমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, তৎকালীন যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য সালাউদ্দিন মাহমুদ, গণজাগরণ মঞ্চের আহ্বায়ক ও মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকার এবং সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক হাসান মাহমুদ খন্দকার।

অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ, তৎকালীন র‍্যাবের মহাপরিচালক মো. মোখলেছুর রহমান, সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, তৎকালীন র‍্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপস) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মজিবুর রহমান, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক শেখ মুহাম্মাদ মারুফ হাসান, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (এসবি) মাহবুব হোসেন, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (এসবি) মনিরুল ইসলাম, তৎকালীন ডিএমপির উপপুলিশ কমিশনার (সদর দপ্তর ও প্রশাসন) মো. আনোয়ার হোসেন, তৎকালীন ডিএমপির উপপুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-দক্ষিণ) আশরাফুজ্জামান, তৎকালীন ডিএমপির অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (মতিঝিল জোন) এসএম মেহেদী হাসান, সাবেক উপমহাপরিদর্শক বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক উপমহাপরিদর্শক সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম, তৎকালীন ডিএমপির অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (মতিঝিল বিভাগ) মো. আসাদুজ্জামান, অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএম শিবলী নোমান এবং তৎকালীন মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিএম ফরমান আলী।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৫ মে রাতে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশ চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, রাত ১১টার পর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবি যৌথ অভিযান চালায়। এতে সাউন্ড গ্রেনেড, গুলি ও লাঠিচার্জে আন্দোলনকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়ে।

This post was viewed: 6

আরো পড়ুন