Skip to main content

Ridge Bangla

যুক্তরাষ্ট্রের পরাজয়ের ঘোষণা ইসলামাবাদ সমঝোতা: গালিবাফ

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধে হওয়া সমঝোতা স্মারককে ওয়াশিংটনের পরাজয়ের ঘোষণার সমতুল্য বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তার দাবি, এই সমঝোতা কোনো চাপের ফল নয়, বরং ইরানের জনগণের প্রতিরোধ ও সক্ষমতার অর্জন।

বুধবার (২৪ জুন) আজারবাইজানে আয়োজিত এক সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে এসব কথা বলেন গালিবাফ।

তিনি বলেন, ‘ইসলামাবাদ সমঝোতা কোনো চাপ বা জবরদস্তির ফল নয়; বরং এটি সাহসী ইরানি জাতির প্রতিরোধ ও শক্তিমত্তার ফলাফল।’

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, ‘এ কারণেই ইসলামাবাদে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকটি যুক্তরাষ্ট্রের পরাজয়ের ঘোষণায় পরিণত হয়েছে।’

মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব এই অঞ্চলের দেশগুলোর নিজেদেরই নেওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার।

গত বুধবার (১৭ জুন) যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ১৪ দফা সমঝোতায় পৌঁছায়। এতে হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করা, সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ ও উত্তেজনা কমানো, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর সীমাবদ্ধতা এবং নিষেধাজ্ঞা শিথিলের মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

একই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ইলেকট্রনিকভাবে ওই সমঝোতা স্মারকে সই করেন।

চুক্তির পরবর্তী ধাপ নিয়ে রোববার (২১ জুন) সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হয়।

প্রায় ১৮ ঘণ্টার টানা বৈঠকের পর মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান ও কাতার যৌথ বিবৃতিতে জানায়, আলোচনা ‘ইতিবাচক ও গঠনমূলক পরিবেশে’ হয়েছে এবং এতে উৎসাহব্যঞ্জক অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে আরও বিস্তারিত কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার একটি প্রক্রিয়াও নির্ধারণ করা হয়েছে।

মধ্যস্থতাকারীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয় এগিয়ে নিতে দুই পক্ষের বিশেষজ্ঞ ও কারিগরি কর্মীদল গঠন করা হয়েছে। এসব দল সম্ভাব্য চূড়ান্ত চুক্তির খসড়া এবং বাস্তবায়ন কাঠামো নিয়ে কাজ করবে।

এরপর সোমবার (২২ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ জানায়, ৬০ দিনের জন্য ইরানের জ্বালানি তেল রফতানির ওপর থাকা মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে।

This post was viewed: 11

আরো পড়ুন