পবিত্র আশুরা উপলক্ষে বাড়তি চাহিদার কারণে যে ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছিল, তা আশুরা শেষে কমার পরিবর্তে আরও বেড়েছে। বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আগামী কয়েকদিনে মুরগির দাম আরও বাড়তে পারে। একইসঙ্গে কাঁচা মরিচের দামও রয়েছে উচ্চ পর্যায়ে। ভোক্তারা অভিযোগ করছেন, বাজারে প্রশাসনের তদারকি না থাকায় ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে এই মূল্যবৃদ্ধি ঘটাচ্ছেন।
শুক্রবার সকালে নগরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, ব্রয়লার মুরগির কেজিপ্রতি দাম ৫–১০ টাকা বেড়েছে। সোনালি মুরগির দামও বেড়ে বর্তমানে ৩২০–৩৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
কাঁচা মরিচের দাম বর্তমানে প্রতি কেজি ২০০–২১০ টাকা। অন্যদিকে, পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫৫–৬০ টাকায়, রসুন ১৪০–১৬০ টাকায়। কিছু সবজির দাম কিছুটা কমলেও অনেকেরই দাম এখনও বেশি রয়েছে। আলু ২৫, কাঁকরোল ৮০, বরবটি ৫০–৬০, ঢেঁড়স ৫০–৬০, বেগুন ৬০–৭০, পটল ৪০–৫০ এবং অন্যান্য মরিচ ৬০–৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মাছের বাজারে বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। চিংড়ি প্রকারভেদে ৭০০–১২০০ টাকা, রুই-কাতলা ৪০০–৪৮০, তেলাপিয়া ২০০–২২০ এবং ইলিশের দাম আকারভেদে ১৬৫০–২৬০০ টাকা পর্যন্ত রয়েছে। কোরবানির ঈদের পর থেকেই চালের বাজারেও অস্থিরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করা সংগঠন ক্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম নাজের হোসাইন বলেন, “সিন্ডিকেটের কারণে মুরগির দাম বারবার বাড়ছে। অথচ প্রশাসন এখনও তদারকি শুরু করেনি। দ্রুত তদারকি না হলে দাম আরও বাড়বে।”
তিনি আরও বলেন, বাজারে নজরদারি জোরদার করে সিন্ডিকেট ভাঙতে হবে, না হলে ভোক্তাদের আরও ভোগান্তিতে পড়তে হবে। ভোক্তারা অভিযোগ করেছেন, বাজারে কোনো নিয়ম-শৃঙ্খলা নেই, যার যা ইচ্ছা দাম হাঁকাচ্ছে। প্রশাসনের সঠিক মনিটরিং না থাকায় ব্যবসায়ীরা এই সুযোগ নিচ্ছে বলে তারা উল্লেখ করেন। তারা দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।