দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলনরত বিক্ষোভকারীদের খাবার ও পানি সরবরাহ করায় মোহাম্মদ জুনায়েদ নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় তার বাবা ও ছোট ভাইকে নিয়ে যাওয়া হয়। পাশাপাশি তার বোনের শ্বশুরবাড়িতেও অভিযান চালিয়ে পরিবারের কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্বে দিল্লির যন্তর মন্তরে টানা ৩৬ দিন আন্দোলন চলে। শনিবার শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ার আশ্বাসের পর কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
আন্দোলন চলাকালে বহু মানুষ বিক্ষোভকারীদের খাবার ও পানির মাধ্যমে সহায়তা করেছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন মোহাম্মদ জুনায়েদ। আন্দোলনকারীদের পানি দেওয়ার তার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তিনি পুলিশের নজরে আসেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম দ্য লালানটপকে জুনায়েদ বলেন, উত্তর প্রদেশে তার বাড়িতে গিয়ে পুলিশ তার বাবা ও ছোট ভাইকে ধরে নিয়ে যায়।
এ ছাড়া মীরাটে অবস্থিত তার বোনের শ্বশুরবাড়িতে অভিযান চালিয়ে বোনের শ্বশুর ও দেবরকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।
জুনায়েদ বলেন, “আমার অপরাধ কি? পানি ও খাবার দেওয়া কি অপরাধ?”
জুনায়েদের পরিবারের সঙ্গে এমন আচরণের খবর প্রকাশের পর ককরোচ জনতা পার্টি, সিজেপি, তার প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সিজেপি বলেছে, “অপরাধীদের ধরার বদলে। উত্তরপ্রদেশের পুলিশ আমাদের স্বেচ্ছাসেবী মোহাম্মদ জুনায়েদের বাড়িতে গিয়ে তাদের সময় নষ্ট করছে। এখন পুলিশ তার পরিবারকে হেনস্তা করছে। তার সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ আছে এবং আমরা কখনো তাকে ও তার পরিবারকে ভিক্টিম হতে দেব না।”