Skip to main content

Ridge Bangla

‘বন্দে মাতরম’ অবমাননাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করার বিল পাস, বিরোধীদের ওয়াকআউট

ভারতের জাতীয় সংগীত ‘বন্দে মাতরম’-এর অবমাননাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করার একটি বিল বিরোধী দলগুলোর ওয়াকআউটের মধ্যেই পাস হয়েছে। বিলটি উত্থাপনের সময় বিরোধীরা স্লোগান দিয়ে প্রতিবাদ জানায় এবং নিট প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বক্তব্য দাবি করে।

বিক্ষোভের মধ্যেও স্পিকার অধিবেশনের কার্যক্রম চালিয়ে যান এবং সদস্যদের আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান। পরে কেন্দ্রীয় সমাজকল্যাণ ও ক্ষমতায়ন প্রতিমন্ত্রী রামদাস আঠাওয়ালে বিলের ওপর বক্তব্য শুরু করলে বিরোধী দলগুলো অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করে।

বিলের জবাবি বক্তব্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই বলেন, তুষ্টিকরণের রাজনীতি করতে গিয়ে কংগ্রেস দেশের সম্মান এবং জাতীয় সংগীত ‘বন্দে মাতরম’-কে অপমান করার চেষ্টা করছে।

তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতার জন্য আত্মত্যাগ করা বহু সংগ্রামী জীবনের শেষ মুহূর্তে ‘বন্দে মাতরম’ উচ্চারণ করেছিলেন।

নিত্যানন্দ রাই আরও বলেন, “কংগ্রেস কেন ‘বন্দে মাতরম’-এর বিরোধিতা করছে, তা বোঝা যায় না। দেশের তরুণরা সব দেখছে এবং দেশের মানুষ তাদের এর জবাব দেবে।”

তিনি বলেন, “‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’ গড়ার অঙ্গীকার বাস্তবায়নে ‘বন্দে মাতরম’ প্রয়োজন।”

প্রস্তাবিত আইনে জাতীয় পতাকা, সংবিধান, জাতীয় সঙ্গীত এবং জাতীয় সংগীত ‘বন্দে মাতরম’সহ ভারতের জাতীয় প্রতীকগুলোর অবমাননা বা অসম্মানকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ ধরনের অপরাধে সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

এর আগে গত ২৪ জুলাই রাজ্যসভায় উত্থাপিত এ বিলের মাধ্যমে ‘বন্দে মাতরম’-কে জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’-এর সমান আইনি সুরক্ষা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়। ‘বন্দে মাতরম’ রচনার ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বছরব্যাপী উদ্‌যাপনের মধ্যেই এ উদ্যোগ নেয় মোদি সরকার।

রাজ্যসভায় বিলটি পাস হওয়ার পর তা এখন লোকসভায় যাবে। সেখানে অনুমোদন পাওয়ার পর রাষ্ট্রপতির সম্মতি মিললে এটি আইনে পরিণত হবে। তখন ‘বন্দে মাতরম’-এর অবমাননা করা বা এটি গাওয়া কিংবা বাজানোয় বাধা দিলে সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান কার্যকর হবে।

This post was viewed: 6

আরো পড়ুন