২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে আবারও অপ্রদর্শিত আয় বা কালো টাকা বৈধ করার সুযোগ রাখা হয়েছে। প্রায় দুই দশক পর ক্ষমতায় আসা বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম বাজেটে এ বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে বৈধ করা অর্থের উৎস নিয়ে কোনো ধরনের প্রশ্ন বা আইনি কার্যক্রম গ্রহণ না করার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভা অনুমোদিত অর্থবিলে আয়কর আইন ২০২৩-এর প্রথম তফসিলে সংশোধনের মাধ্যমে এই বিধান সংযোজন করা হয়। পরে জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
প্রস্তাব অনুযায়ী, আগামী জুলাই থেকে পরবর্তী বছরের জুন পর্যন্ত জমি, ভবন বা অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করার সুযোগ পাওয়া যাবে। কোনো করদাতা যদি সম্পত্তি ক্রয়ের প্রকৃত মূল্য দলিলমূল্যের চেয়ে বেশি দেখান, তাহলে অতিরিক্ত অংশের ওপর নিয়মিত করহার অনুযায়ী কর পরিশোধ করে তা বৈধ করতে পারবেন।
একইভাবে সম্পত্তি বিক্রির ক্ষেত্রে দলিলমূল্যের অতিরিক্ত প্রাপ্ত অর্থ বৈধ করতে মূলধনী মুনাফার জন্য প্রযোজ্য হারে কর দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ হারে কর পরিশোধের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শর্ত হিসেবে বলা হয়েছে, আয়কর কর্তৃপক্ষের অডিট বা তদন্ত শুরু হওয়ার আগে স্বপ্রণোদিতভাবে আয় ঘোষণা করতে হবে।
অন্যথায় নির্ধারিত করের পাশাপাশি অতিরিক্ত ২০ শতাংশ কর দিতে হবে। তবে আদালতে মামলা চলমান থাকলে বা কোনো অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে এই সুবিধা গ্রহণ করা যাবে না।