দেশের সমৃদ্ধি ও স্বনির্ভরতা অর্জনে প্রতিশোধ বা বিভাজনের রাজনীতি নয়, বরং জাতীয় ঐক্যকেই প্রধান শক্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দর্শন অনুযায়ী জাতীয় ঐক্যই দেশের শক্তি, আর বিভাজন দুর্বলতা। মতপার্থক্য থাকলেও তা যেন শত্রুতায় রূপ না নেয় এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। তিনি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তাদের আত্মত্যাগ জাতির জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে বলেও উল্লেখ করেন।
দেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক দুর্বলতা অর্থনীতি ও শাসনব্যবস্থায় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন ও দুর্নীতি দমনের মাধ্যমে জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনা সরকারের অগ্রাধিকার। তিনি আরও বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক ও কর্মমুখী করতে সরকার সংস্কার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার ভর্তুকি দিয়ে জনগণের চাপ কমানোর চেষ্টা করছে বলেও জানান তিনি। শেষে পুরস্কারপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে তাদের অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।