Skip to main content

Ridge Bangla

নাটকীয় প্রত্যাবর্তনে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা

শেষ মুহূর্তের দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে এনজো ফার্নান্দেজ ও লাউতারো মার্তিনেজের গোলে জয় নিশ্চিত করে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

বুধবার বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টায় আটলান্টা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয় দুই দল।

ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে ছিল আর্জেন্টিনা। একাধিক আক্রমণ গড়ে তুললেও প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি তারা। এ সময় ইংল্যান্ডের এলিয়ট অ্যান্ডারসনকে ঘিরে ফাউলের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও রেফারির হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

প্রথমার্ধে মোট ১৯টি ফাউল হয়। এর মধ্যে আর্জেন্টিনা ১২টি এবং ইংল্যান্ড ৭টি ফাউল করে। গোলশূন্য সমতায় বিরতিতে যায় দুই দল।

বিরতির পর আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে শুরু করে ইংল্যান্ড। তারই ফল হিসেবে ম্যাচের ৫৫তম মিনিটে মরগান রজার্সের বাড়ানো বল থেকে অ্যান্থনি গর্ডন গোল করে দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।

৬৪তম মিনিটে লিয়ান্দ্রো পারেদেসের জায়গায় নিকো গঞ্জালেজকে নামান আর্জেন্টিনার কোচ। পরে হাইড্রেশন বিরতির পর আরও তিনটি পরিবর্তন এনে লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, নাহুয়েল মোলিনা ও জুলিয়ানো সিমিওনের পরিবর্তে মাঠে নামানো হয় নিকোলাস ওতামেন্দি, রদ্রিগো দি পল এবং গনসালো মন্তিয়েলকে। অন্যদিকে ইংল্যান্ডও অ্যান্থনি গর্ডনের বদলে এজরি কনসাকে মাঠে নামায়।

ম্যাচের শেষ ২০ মিনিটে দুই দলই একের পর এক আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণ চালায়। ৮৫তম মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত শটে গোল করে আর্জেন্টিনাকে সমতায় ফেরান এনজো ফার্নান্দেজ।

এরপর দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে লিওনেল মেসির বাড়ানো ক্রসে দারুণ এক হেডে গোল করে আর্জেন্টিনাকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন লাউতারো মার্তিনেজ।

বাকি সময়ে সমতায় ফেরার চেষ্টা চালালেও আর্জেন্টিনার রক্ষণ ভাঙতে পারেনি ইংল্যান্ড। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আলবিসেলেস্তেরা।

এই জয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল আর্জেন্টিনা। আগামী রোববার (১৯ জুলাই) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টায় শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে স্পেনের মুখোমুখি হবে তারা।

This post was viewed: 40

আরো পড়ুন