শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং বাকি দাবিগুলো বাস্তবায়নের আশ্বাস পাওয়ার পর আন্দোলনের সমাপ্তি ঘোষণা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি, সিজেপি। শনিবার (২৫ জুলাই) সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর যৌথ ঘোষণায় আন্দোলন শেষ করার সিদ্ধান্ত জানানো হয়। একই সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। সেখানে তারা জানান, সরকার তাদের উত্থাপিত দাবিগুলো মেনে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সেই সদিচ্ছার ভিত্তিতেই আন্দোলন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সিজেপির নেতারা বলেন, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে। পাশাপাশি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা পুলিশি অভিযোগ প্রত্যাহার এবং মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারকে ১ কোটি রুপি করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিও সরকার গ্রহণ করেছে।
মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেন, “সরকার যেহেতু আমাদের দাবি মেনে নিয়েছে তাই আমরা সব আন্দোলনকারীকে বাড়ি ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।”
আরেক মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, “৩৬ দিনের আন্দোলনের পর সরকার আমাদের দাবি মেনে নিয়েছে। আমরা সবাইকে শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভস্থল থেকে সরে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। আমাদের দাবিগুলো উগ্র ছিল না, ছিল সাধারণ এবং সরকার এখন এগুলো মেনে নিয়েছে।”
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, দিল্লির যন্তর মন্তরে পুলিশ লাউড স্পিকারে ঘোষণা দিয়ে বিক্ষোভকারীদের জানাচ্ছে যে সরকার তাদের দাবি মেনে নিয়েছে এবং এখন তারা যেন বিক্ষোভস্থল ত্যাগ করেন।
টানা এক মাসের বেশি সময় ধরে চলা এ আন্দোলনের কারণে যন্তর মন্তরের আশপাশের বাজার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ওই এলাকার ১৬-১৭টি মেট্রোস্টেশনও সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল।