জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান জাদুঘর ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সংগ্রামে অনুপ্রাণিত করবে। এই জাদুঘর দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও মানুষের আত্মত্যাগের ইতিহাস সংরক্ষণ করবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মঙ্গলবার (১২ মে) জুলাই গণঅভ্যুত্থান জাদুঘর পরিদর্শন শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে স্পিকার এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ সময়ের নিপীড়ন, গুম, হত্যাকাণ্ড ও স্বৈরশাসনের নানা চিত্র জাদুঘরে তুলে ধরা হয়েছে, যা জাতির সংগ্রামের দলিল হয়ে থাকবে।
স্পিকার আরও বলেন, জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আবু সাঈদ, মুগ্ধ ও ওয়াসিমদের আত্মত্যাগ দেশবাসীকে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে অনুপ্রেরণা জোগাবে। ১৯৭১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সাধারণ মানুষের ভূমিকা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, জুলাই জাদুঘর ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি হিসেবে কাজ করবে। আন্দোলনে নিহতদের স্মৃতি সংরক্ষণে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
পরিদর্শনকালে স্পিকার ও অতিথিরা বিভিন্ন ম্যুরাল, গ্রাফিতি, আন্দোলনের আলোকচিত্র, শহীদদের ব্যবহৃত সামগ্রী ও স্মারক ঘুরে দেখেন। সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানান, আগামী জুলাইয়ের শেষ বা আগস্টের শুরুতে জাদুঘরটি সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।