জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ হোসেন হত্যা মামলার প্রধান সন্দেহভাজন মাহির রহমানকে থানায় সোপর্দ করেছেন তাঁর মা রেখা আক্তার। এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ছাত্রীসহ মোট চারজনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) লালবাগ বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মল্লিক আহসান উদ্দিন সামী।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নিহত জোবায়েদ হোসেন ছিলেন জবি’র ২০১৯–২০ শিক্ষাবর্ষের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী এবং ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য কুমিল্লা জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সভাপতি। তিনি পুরান ঢাকার আরমানিটোলার নুরবক্স লেনে রৌশান ভিলা এলাকায় এক ছাত্রীকে প্রাইভেট পড়াতেন।
আটক হওয়া মাহির রহমান ওই ছাত্রীর দীর্ঘ নয় বছরের প্রেমিক ছিলেন। সম্প্রতি তাদের সম্পর্কের অবসান ঘটে, যা নিয়ে বিরোধ শুরু হয়। গত রোববার বিকেলে জোবায়েদ টিউশনে যাওয়ার পথে মাহিরের সঙ্গে দেখা হলে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। কিছুক্ষণ পরই জোবায়েদকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর মাহির রক্তমাখা হাতে বাড়ি ফেরে। মাহিরের মা রেখা আক্তার বলেন, “ওর হাত রক্তাক্ত দেখে জিজ্ঞেস করি কী হয়েছে, তখন বলে এক ছেলের সঙ্গে ধস্তাধস্তির সময় ছুরিতে হাত কেটেছে। পরে বুঝতে পারি, ঘটনা গুরুতর।”
তিনি জানান, প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেলেকে কেরানীগঞ্জের একটি ক্লিনিকে নিয়ে যান। পরে সোমবার সকালে স্বেচ্ছায় ছেলেকে চকবাজার থানায় পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।