পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজধানীর সবচেয়ে বড় পশুর হাট গাবতলীতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে গরু, মহিষ ও ছাগল নিয়ে জড়ো হয়েছেন শত শত ব্যাপারী। তবে হাটে এখনো আশানুরূপ ক্রেতা না আসায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। বেচাকেনা জমে না ওঠায় লোকসানের শঙ্কা দেখা দিয়েছে তাদের মধ্যে।
শুক্রবার (২২ মে) গাবতলী পশুর হাট ঘুরে দেখা যায়, হাটজুড়ে সারি সারি পশু বাঁধা থাকলেও ক্রেতার উপস্থিতি তুলনামূলক কম। যারা আসছেন, তাদের বেশিরভাগই পশুর দাম যাচাই করে ফিরে যাচ্ছেন। বিক্রেতাদের চাওয়া দাম ও ক্রেতাদের বাজেটের মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান থাকায় এখনো জমে ওঠেনি বেচাকেনা।
মেহেরপুর থেকে ১৮টি গরু নিয়ে আসা খালেক ব্যাপারী জানান, সকাল থেকে উল্লেখযোগ্য কোনো ক্রেতা পাননি। একই হতাশার কথা জানান ফরিদপুরের ব্যবসায়ী আবু বকর। তিনি বলেন, অন্য বছর এ সময় ভালো বিক্রি হলেও এবার এখনো একটি গরুও বিক্রি করতে পারেননি।
ছাগল ব্যবসায়ী মো. আরিফ বলেন, ঢাকায় পশু রাখার জায়গা সংকট থাকায় অনেকেই শেষ মুহূর্তে পশু কেনেন। তাই ঈদের দুই-তিন দিন আগে বেচাকেনা বাড়বে বলে আশা করছেন তিনি।
অন্যদিকে ক্রেতারাও বলছেন, এবার পশুর দাম তুলনামূলক বেশি। মিরপুরের জিল্লুর রহমান জানান, মাঝারি আকারের একটি গরুর দাম চাওয়া হচ্ছে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা, যা তাদের বাজেটের তুলনায় অনেক বেশি।