গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন সন্তান ও শ্যালককে হত্যার আলোচিত মামলার প্রধান আসামি ফোরকান মোল্লার মরদেহ মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ে পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (১৬ মে) দুপুরে ঘোড়দৌড় বাজারসংলগ্ন নদী এলাকা থেকে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করে নৌপুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস।
মুন্সিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও মাওয়া নৌপুলিশ সূত্র জানায়, স্থানীয়রা নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
খবর পেয়ে ফোরকানের ভাই আব্দুল জব্বার ও কাপাসিয়া থানার তদন্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি ফোরকানের বলে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করেন।
নৌপুলিশ জানিয়েছে, মরদেহটি কয়েকদিন পানিতে থাকায় অর্ধগলিত হয়ে গেছে। তাই পরিচয় নিশ্চিত করতে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। প্রয়োজন হলে ডিএনএ পরীক্ষাও করা হবে।
এর আগে গাজীপুরের পুলিশ সুপার জানিয়েছিলেন, ফোরকান মোল্লা পদ্মা সেতু থেকে নদীতে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্তে পাওয়া সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, এক ব্যক্তি পদ্মা সেতুতে একটি প্রাইভেটকার থেকে নেমে মোবাইল ফোন রেখে নদীতে ঝাঁপ দেন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে ফোরকান হিসেবে শনাক্ত করেন।
গত ৯ মে কাপাসিয়ার রাউৎকোনা গ্রামের একটি বাড়ি থেকে ফোরকানের স্ত্রী শারমিন খানম, তিন সন্তান ও শ্যালক রসুল মোল্লার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিলেন ফোরকান মোল্লা।