Skip to main content

Ridge Bangla

গলায় ফাঁসির দড়ি থেকে সংসদে যারা

কথায় আছে, মানুষের জীবন বড্ড ঠুনকো। প্রতি মুহূর্তে সেই জীবন বাঁক নিতে পারে, আর প্রতিটি বাঁকেই ঘুরে যেতে পারে জীবনের গতিপথ। সদ্য শেষ হওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনেও এমন কিছু ঘটনার সাক্ষী হয়েছে দেশবাসী। এরই ধারাবাহিকতায় দেখা গেছে, দীর্ঘ কারাবাস ও মৃত্যুদণ্ডের রায় পেছনে ফেলে জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি ও জামায়াতের তিন আলোচিত নেতা।

২৪-এর ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচারের পতন ও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আইনি প্রক্রিয়ায় মুক্ত হয়ে সরাসরি নির্বাচনী মাঠে নামেন তারা। সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ের মাধ্যমে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর যা পরিপূর্ণতা পেয়েছে। চলুন আলোচনা করা যাক সেই তিন নেতাকে নিয়ে, যারা গলায় ফাঁসির দড়ি থেকে সরাসরি সংসদে গিয়ে নিজ অঞ্চলের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করবেন।

লুৎফুজ্জামান বাবর ২০০৪ সালে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা মামলায় ২০০৭ সালে গ্রেপ্তার হন এবং পরবর্তী সময়ে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হন। টানা প্রায় ১৮ বছর কারাগারে কাটানো বাবর একদিনের জন্যও জামিন পাননি। অভ্যুত্থান শেষে আইনি প্রক্রিয়ায় একের পর এক মামলা থেকে অব্যাহতির পর গত বছরের ১৬ জানুয়ারি কারামুক্ত হয়ে নিজ জেলা নেত্রকোনায় ফিরে আবার দলীয় কার্যক্রমে যুক্ত হন। এই নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নিকটতম প্রার্থীর চেয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজারের বেশি ভোটে জয়লাভ করেন।

লুৎফুজ্জামান বাবরের সঙ্গে একই মামলায় মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত আরেক বিএনপি নেতা আবদুস সালাম পিন্টু দীর্ঘ ১৭ বছর কারাভোগের পর ২০২৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর মুক্তি পান। জন্মস্থান টাঙ্গাইলের গোপালপুর-ভূঞাপুর আসনে নির্বাচনে অংশ নিয়ে প্রায় দুই লাখ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন তিনি।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলাম ২০১২ সাল থেকে কারাবন্দি ছিলেন। ২৪-এ রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর গত বছরের ২৮ মে মুক্তি পান। রংপুর-২ (তারাগঞ্জ-বদরগঞ্জ) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনিও বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

This post was viewed: 46

আরো পড়ুন