কুমিল্লার কোটবাড়িতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ১০ ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তর প্রাঙ্গণে প্রায় ৫২ কোটি টাকা মূল্যের বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়েছে। একই সঙ্গে সরাইল রিজিয়নের প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার সীমান্তে গত দুই মাসে অন্তত ২৫টি পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করার দাবি করেছে বিজিবি। সীমান্তে নজরদারি বাড়াতে সিসিটিভি ক্যামেরা ও ড্রোনের ব্যবহার আরও সম্প্রসারণের কথাও জানিয়েছে বাহিনীটি।
মঙ্গলবার আয়োজিত মাদক ধ্বংস কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সরাইল রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, কুমিল্লা ১০ বিজিবি ও সুলতানপুর ৬০ বিজিবি গত চার বছরে সীমান্ত এলাকায় পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে আনুমানিক ৫১ কোটি ৮৩ লাখ ৮৪ হাজার ১২৫ টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য জব্দ করেছে। সেসব জব্দ করা মাদকই ধ্বংস করা হয়েছে।
অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, সরাইল রিজিয়নের প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার সীমান্তে গত দুই মাসে অন্তত ২৫টি পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করা হয়েছে। সর্বশেষ কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সালদা নদী সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করা চারজনকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে মাদক প্রবেশ, চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সীমান্তে নজরদারি জোরদার করতে সিসিটিভি ক্যামেরা ও ড্রোনের ব্যবহার বাড়ানো হবে। পাশাপাশি গোয়েন্দা তৎপরতা ও সীমান্ত টহল আরও জোরদার করা হচ্ছে, যাতে যেকোনো ধরনের সীমান্ত অপরাধ কার্যকরভাবে দমন করা যায়।