কার্যক্রম স্থগিত বা নিষিদ্ধ থাকা কোনো রাজনৈতিক দল আসন্ন নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। একই সঙ্গে তাদের প্রতীকও স্থগিত থাকবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, সংশোধিত গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে (আরপিও) প্রায় ৪৫টি পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে—একক প্রার্থী থাকলে ব্যালটে ‘না’ ভোটের সুযোগ, ফেরারি আসামিদের অযোগ্য ঘোষণা, প্রার্থীদের মনোনয়ন অনলাইনের পরিবর্তে সশরীরে জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা এবং জামানত ২০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা করা। প্রস্তাবিত সংশোধনী এখন আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলে অধ্যাদেশ আকারে জারি হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে সানাউল্লাহ বলেন, কোনো দলের কার্যক্রম স্থগিত থাকলে তারা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে লড়তে পারবে না। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নেওয়ার সুযোগ সময় অনুযায়ী বিবেচনা করা হতে পারে।
তিনি আরও জানান, সংশোধনীতে সশস্ত্র বাহিনীকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে। ফেরারি আসামি, লাভজনক পদে থাকা ব্যক্তি বা সরকারি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানে কর্মরতরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। এ ছাড়া ইভিএম-সংক্রান্ত সব বিধান বাতিল করা হয়েছে। নির্বাচনী পোস্টার নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় আচরণবিধি ভঙ্গ করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখন থেকে ভোটকেন্দ্রে প্রিসাইডিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তই হবে চূড়ান্ত।