বগুড়ার সদর উপজেলায় মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, এ ঘটনায় ওই নারী প্রায় তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়েছেন। অভিযোগের পর দুইজনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী। তবে অপর এক অভিযুক্ত পলাতক রয়েছেন।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার ফাঁপোড় ইউনিয়নের ফাঁপোড় পূর্বপাড়া গ্রামে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন ওই এলাকার আজিজুল সোনারের ছেলে আলমগীর হোসেন এবং মৃত আকবর আলীর ছেলে শহিদুল ইসলাম। অপর অভিযুক্ত মাহবুবুর রহমান একই এলাকার মৃত লাল চান ফকিরের ছেলে। তিনি বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজের পিয়ন হিসেবে কর্মরত বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারীর স্বামী একটি মাদক মামলায় দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন। এ সময়ের মধ্যে অভিযুক্তরা একাধিকবার ওই নারীকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন বলে স্থানীয়দের দাবি।
সম্প্রতি জামিনে মুক্ত হয়ে স্বামী বাড়ি ফেরার পর স্ত্রীর শারীরিক পরিবর্তন দেখে বিষয়টি জানতে চান। তখন ওই নারী ধর্ষণের অভিযোগ করেন। বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে দুই অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
বগুড়া সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মাহফুজ আলম বলেন, অভিযুক্ত দুইজনকে আটক করা হয়েছে। পলাতক অপর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। ভুক্তভোগী বা তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, ভুক্তভোগীর শারীরিক পরীক্ষা এবং গর্ভধারণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে।