২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের সময় দেশের মোট রিজার্ভ ছিল ২৫ দশমিক ৯২ বিলিয়ন (বিপিএম-৬ অনুযায়ী ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন) ডলার। সেখানে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) কাছ থেকে ১ বিলিয়ন ডলারের বাজেট সহায়তা পাওয়ার পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এক লাফে সাড়ে ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৪ জুনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট (গ্রোস) বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৫ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন ডলারে। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতিতে তা ৩১ দশমিক ০৭ বিলিয়ন ডলার স্পর্শ করেছে।
এক সময় তীব্র সংকটে দেশের ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ ১৪ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে গেলেও বর্তমানের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, বর্তমানে ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের পরিমাণ প্রায় ২৮ বিলিয়ন ডলার।
সাধারণত তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর মতো রিজার্ভকে নিরাপদ ধরা হলেও, বর্তমানের এই রিজার্ভ দিয়ে সাড়ে পাঁচ মাসেরও বেশি সময়ের আমদানি খরচ পরিশোধ করা সম্ভব, যা দেশের অর্থনীতির জন্য স্বস্তির খবর।