Skip to main content

Ridge Bangla

ইরানে সামরিক স্থাপনায় নতুন করে মার্কিন বিমান হামলা, এয়ারক্রাফট হ্যাঙ্গার ও ড্রোন ডিপোতে ক্ষয়ক্ষতির দাবি

ইরানের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার গভীর রাতে দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনীর একাধিক সামরিক অপারেশন কেন্দ্র, একটি এয়ারক্রাফট হ্যাঙ্গার এবং একটি ড্রোন ডিপোতে বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকম)। বুধবার ভোরে সেন্টকম এ হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সেন্টকমের তথ্য অনুযায়ী, টানা ১১ দিন ধরে প্রতিদিনই ইরানের বিভিন্ন স্থানে বিমান অভিযান চালানো হচ্ছে। মঙ্গলবারের অভিযানে লক্ষ্যবস্তু করা এয়ারক্রাফট হ্যাঙ্গার ও ড্রোন ডিপোর অবস্থান সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়নি। তবে সংস্থাটি দাবি করেছে, আগের রাতগুলোর অভিযানে ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর একাধিক কমান্ড সেন্টার, সামুদ্রিক স্থাপনা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণকেন্দ্র এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে হামলার ভিডিওও প্রকাশ করেছে সেন্টকম।

ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে উত্তেজনার জেরে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। টানা ৪০ দিনের সংঘাতের পর গত ৭ এপ্রিল উভয় দেশ যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেয়।

এর দুই মাসের বেশি সময় পর, ১৭ জুন পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদে সমঝোতা স্মারক (ইসলামাবাদ এমওইউ) স্বাক্ষর করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।

১৪ দফা ওই চুক্তির অন্যতম শর্ত ছিল, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যপথ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা বন্ধ করবে ইরান। এর বিনিময়ে দেশটির তেল রপ্তানির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা এবং বন্দর অবরোধ প্রত্যাহার করবে যুক্তরাষ্ট্র।

তবে গত ৫ জুলাই চুক্তি লঙ্ঘন করে হরমুজ প্রণালিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে ড্রোন হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর বিরুদ্ধে। এর জবাবে ৭ জুলাই থেকে ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় ধারাবাহিক বিমান হামলা শুরু করে সেন্টকম।

নতুন এই সংঘাতের মধ্যেই গত ১৩ জুলাই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বন্দরগুলোর ওপর পুনরায় অবরোধ আরোপের নির্দেশ দেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন দফার সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে হরমুজ প্রণালি। বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের প্রভাব কমাতে যুক্তরাষ্ট্র তৎপর হয়ে উঠেছে।

This post was viewed: 24

আরো পড়ুন