নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, আরপিও (গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ) সংশোধনকে কেন্দ্র করে যে কিছু মতবিরোধ দেখা দিয়েছে, তা সংলাপের মাধ্যমে পুনর্বিবেচনার সুযোগ রয়েছে। তিনি জানান, প্রায় সব নির্বাচনের আগে আরপিও সংশোধনের উদাহরণ রয়েছে, এবারও নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী বেশ কিছু ধারায় পরিবর্তন আনা হয়েছে।
সুপারিশ অনুযায়ী জোট হলেও নিজস্ব প্রতীকে ভোট, ভোট বন্ধ করার ক্ষমতা, জোটের প্রতীক, জামানত এবং নির্বাচনী ব্যয়সহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ধারা সংশোধন করা হয়েছে। তবে বিএনপি সহ কয়েকটি দল এই ধারা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে। এসব মতবিরোধের মধ্যেই সরকারের পক্ষ থেকে সংশোধিত আরপিওর অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে।
ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, “দলগুলোর সঙ্গে সরাসরি আলোচনা না করলেও, কমিশনের সুপারিশ বিবেচনায় রেখেই আরপিও সংশোধন করা হয়েছে। আচরণবিধির গেজেট এখনও পাইনি। রোববারের মধ্যে গেজেট পেলে একদিনের মধ্যে দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু হবে।”
তিনি আরও বলেন, সংলাপে আইন, বিধি, নির্বাচনী পরিবেশ, আইনশৃঙ্খলা ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন বিষয়গুলো নিয়ে মতামত নেওয়া হবে।
আখতার আহমেদ জানান, পরিবর্তন একটি চলমান প্রক্রিয়া। যদি দলগুলোর যুক্তিযুক্ত আপত্তি থাকে এবং কমিশনের কাছে তা গ্রহণযোগ্য মনে হয়, তবে সংশোধনের পুনর্বিবেচনার সুযোগ রয়েছে। তবে কোনো পরিবর্তন এককভাবে সম্ভব নয়; এজন্য সরকার, দল ও প্রশাসনের সমন্বয় প্রয়োজন। তিনি উল্লেখ করেন, ভিন্নমত সবসময় প্রতিযোগিতামূলক নয়; অনেক সময় এটি নিরপেক্ষ ও অপরিপূর্ণ হিসেবে কাজ করে।