Skip to main content

Ridge Bangla

আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার নিয়ে অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত মার্তিনেসের

বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে আর্জেন্টিনার পরাজয়ের হতাশা এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেননি এমিলিয়ানো মার্তিনেস। টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ার পর এবার নিজের আন্তর্জাতিক ফুটবল ক্যারিয়ার নিয়েও অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত দিয়েছেন আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক।

বিশ্বকাপ শেষে বুয়েনস এইরেসে ফেরার পর বৃষ্টি ও ঠান্ডা উপেক্ষা করে হাজারো সমর্থক আর্জেন্টিনা দলকে স্বাগত জানান। সতীর্থদের সঙ্গে মার্তিনেসও ভক্তদের ভালোবাসায় সাড়া দেন। পরে নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে এক আবেগঘন বার্তায় ফাইনালের হার নিয়ে অনুভূতি প্রকাশ করেন তিনি।

মার্তিনেস লেখেন, ‘আমি স্বপ্ন দেখেছিলাম আমরা আবারও এটি (বিশ্বকাপ) জিতব। আমি স্বপ্ন দেখেছিলাম এটি আর্জেন্টিনায় নিয়ে আসব এবং আবারও ইতিহাস গড়ব।’

ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি আরও লেখেন, ‘সত্যি বলতে, এই কষ্ট ব্যাখ্যা করা কঠিন। অনেক বিষয় নিয়ে ভাবতে হবে, কীভাবে সামনে এগোব, তা দেখতে হবে। আর এটা যদি সরে দাঁড়ানোর সময় হয়ে থাকে, সেটিও ভাবতে হবে।’

২০২১ সালের ৩ জুন চিলির বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে অভিষেকের পর থেকেই আর্জেন্টিনা দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য খেলোয়াড় হয়ে ওঠেন মার্তিনেস। গোলরক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দলের নেতৃত্ব ও অনুপ্রেরণার অন্যতম উৎস হিসেবেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনি।

ফাইনালে ১-০ গোলে পরাজয়ের পর এর আগেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমর্থকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন এই অ্যাস্টন ভিলা গোলরক্ষক। তিনি লিখেছিলেন, ‘আমি সত্যিই দুঃখিত। আমার দেশ ও সতীর্থদের সাহায্য করার জন্য আমি নিজের সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি।’

স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালে আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগ নিজেদের সেরাটা দেখাতে না পারলেও গোলপোস্টের নিচে অসাধারণ নৈপুণ্য দেখান মার্তিনেস। ম্যাচে তিনি ১১টি সেভ করেন, যা ১৯৬৬ সালের পর কোনো বিশ্বকাপ ফাইনালে এক গোলরক্ষকের সর্বোচ্চ সেভের রেকর্ড।

টুর্নামেন্টের নকআউট পর্বের প্রথম তিন ম্যাচে পাঁচ গোল হজম করলেও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনাল এবং স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালে দারুণ পারফরম্যান্স উপহার দেন তিনি। সব মিলিয়ে সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপে ২০টি সেভ করে গোলরক্ষকদের তালিকায় তৃতীয় স্থানে ছিলেন মার্তিনেস। তাঁর চেয়ে বেশি সেভ করেন কুরাসাওয়ের এলোয় রুম (২১) এবং প্যারাগুয়ের অরলান্ডো গিল (২৮)।

This post was viewed: 39

আরো পড়ুন