Skip to main content

Ridge Bangla

পেন্টাগনে ‘লাই ডিটেক্টর’ আতঙ্ক: কেন কর্মকর্তাদের পলিগ্রাফ পরীক্ষা নিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন?

পেন্টাগন

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সদর দপ্তর পেন্টাগনের ভেতরে এখন অস্বাভাবিক এক অনুসন্ধান চলছে। সন্দেহের কেন্দ্রে কোনো বিদেশি গুপ্তচর নেটওয়ার্ক নেই, বরং আছেন পেন্টাগনেরই সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা। কে গোপন সামরিক তথ্য সংবাদমাধ্যমের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন, তা খুঁজে বের করতে কয়েক ডজন কর্মকর্তাকে বসানো হয়েছে পলিগ্রাফ পরীক্ষার সামনে! সাধারণভাবে যাকে বলা হয় ‘লাই ডিটেক্টর টেস্ট’।

আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট স্টাফে কর্মরত প্রায় ৫০ জন সামরিক কর্মকর্তা ও বেসামরিক কর্মীর পলিগ্রাফ পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস। সিবিএস নিউজের তথ্যানুযায়ী, এর আগেও গ্রীষ্মের শুরুতে কয়েক ডজন কর্মকর্তাকে একই পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) কয়েকজন কর্মকর্তাও ছিলেন।

কিন্তু পেন্টাগনের ভেতরে হঠাৎ এত বড় পরিসরে ‘মিথ্যা ধরার পরীক্ষা’ কেন? এর উত্তর লুকিয়ে আছে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভান্ডার নিয়ে প্রকাশিত কয়েকটি প্রতিবেদনে।

অস্ত্র ফুরিয়ে আসছে?

ইরানকে ঘিরে চলমান সামরিক অভিযানের মধ্যে জুলাই ও আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয় যে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ কিছু আধুনিক অস্ত্রের মজুত দ্রুত কমে আসছে। বিশেষ করে দীর্ঘপাল্লার নিখুঁত হামলায় ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্র এবং প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ইন্টারসেপ্টরের মজুত নিয়ে উদ্বেগের কথা সামনে আসে।

সিবিএস নিউজ আগস্টে দুই সূত্রের বরাতে জানায়, ইরান যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র তার বৈশ্বিক মজুতে থাকা আর্মি ট্যাকটিক্যাল মিসাইল সিস্টেম বা এটিএসিএমএস এবং প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইলের প্রায় পুরো মজুতই ব্যবহার করে ফেলেছে। এ ধরনের তথ্য স্বাভাবিকভাবেই অত্যন্ত সংবেদনশীল। কারণ একটি দেশের হাতে কত অস্ত্র আছে, কত দ্রুত তা খরচ হচ্ছে এবং কতদিন একই মাত্রায় যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা রয়েছে, এসব তথ্য প্রতিপক্ষের জন্য কার্যত গোয়েন্দা সম্পদ।

ট্রাম্প প্রশাসন অবশ্য অস্ত্রসংকটের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের হাতে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র রয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন অস্ত্র উৎপাদন ও সরবরাহ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে অস্ত্রের মজুত কমে আসার তথ্য যারা সংবাদমাধ্যমকে দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। সেখান থেকেই শুরু হয়েছে পেন্টাগনের ভেতরে ‘লিকার’ খোঁজার অভিযান।

পলিগ্রাফে কী জানতে চাওয়া হচ্ছে?

প্রতিবেদন অনুযায়ী, পলিগ্রাফ পরীক্ষায় কর্মকর্তাদের কাছে সরাসরি জানতে চাওয়া হয়েছে তারা অস্ত্রের মজুত কিংবা অন্যান্য গোপন জাতীয় নিরাপত্তাসংক্রান্ত তথ্য সংবাদমাধ্যমের কাছে দিয়েছেন কি না। তবে পরীক্ষা শুধু একটি নির্দিষ্ট তথ্য ফাঁসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তাসংক্রান্ত আরও কয়েকটি বিষয় নিয়েও কর্মকর্তাদের প্রশ্ন করা হয়েছে।

এ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য হলো, সংবাদমাধ্যমে তথ্য ফাঁস করেছেন কি না তা যাচাইয়ের জন্য যে প্রশ্নগুলো করা হয়েছিল, সেগুলোতে কাউকে ব্যর্থ পাওয়া যায়নি বলে দুটি সূত্র সিবিএস নিউজকে জানিয়েছে। তবে এই অভিযানের উদ্দেশ্য শুধু অপরাধী খুঁজে বের করা না। দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের বরাতে আল জাজিরা জানিয়েছে, ভবিষ্যতে কর্মকর্তারা যেন সংবাদমাধ্যমের কাছে গোপন তথ্য দেওয়ার আগে ভয় পান, সেই বার্তাও দিতে চাইছে প্রশাসন।

কেন অস্ত্রের মজুত এত গোপনীয়?

যুদ্ধে গোলাবারুদের হিসাব শুধু সংখ্যার ব্যাপার না। এটি সরাসরি সামরিক কৌশলের অংশ। ধরা যাক, প্রতিপক্ষ জানতে পারল একটি নির্দিষ্ট ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে সীমিত সংখ্যক প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর রয়েছে। তখন তারা সেই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্লান্ত করে দেওয়ার কৌশল নিতে পারে। একসঙ্গে প্রচুর তুলনামূলক সস্তা ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র পাঠিয়ে প্রতিপক্ষকে ব্যয়বহুল ইন্টারসেপ্টর খরচ করতে বাধ্য করা সম্ভব।

ইরানের ক্ষেত্রেও ঠিক এমন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান তুলনামূলক সস্তা ও ব্যাপকভাবে উৎপাদিত শাহেদ ড্রোন পাঠিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয়বহুল আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর চাপ তৈরি করেছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে ঠিক কত প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র আছে কিংবা কত দ্রুত মজুত কমছে, এমন তথ্য প্রকাশ হয়ে গেলে তা ইরানের সামরিক পরিকল্পনাকে সহায়তা করতে পারে।

আর শুধু ইরানই না। চীন, রাশিয়া কিংবা অন্য যেকোনো সম্ভাব্য প্রতিপক্ষও এ ধরনের তথ্য থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে ধারণা নিতে পারে। এই কারণেই অস্ত্রের মজুত নিয়ে অভ্যন্তরীণ তথ্য ফাঁসকে পেন্টাগন সাধারণ সংবাদ ফাঁস হিসেবে দেখছে না।

পেন্টাগনে অবিশ্বাসের পরিবেশ

প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই পেন্টাগনের ভেতর তথ্য ফাঁস ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। জুলাইয়ে প্রতিরক্ষা বিভাগ ও বিচার বিভাগের সমন্বয়ে একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। লক্ষ্য ছিল গোপন সরকারি তথ্য সংবাদমাধ্যমে দেওয়ার ঘটনায় দ্রুত তদন্ত চালানো এবং প্রয়োজন হলে ফেডারেল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে তথ্য পৌঁছে দেওয়া।

সে সময় হেগসেথ বলেছিলেন, গোপন তথ্য ফাঁস হলে দ্রুত বিচার বিভাগ ও এফবিআইকে কার্যকর তথ্য দিতে হবে। তার ভাষায়, গোপন তথ্য ফাঁস মানুষের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলে। তবে সাম্প্রতিক পলিগ্রাফ পরীক্ষাগুলো সেই যৌথ তদন্তের অংশ না। সিবিএস নিউজের তথ্য অনুযায়ী, সামরিক বাহিনীর নিজস্ব তদন্তকারীরা পরীক্ষাগুলো নিয়েছেন এবং এতে এফবিআই সরাসরি যুক্ত ছিল না।

হেগসেথের সময় পেন্টাগনের সংবাদমাধ্যম-নীতি নিয়েও টানাপোড়েন বেড়েছে। সাংবাদিকদের ভবনের বিভিন্ন অংশে চলাচল সীমিত করা, কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগে কড়াকড়ি এবং তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ বাড়ানো হয়েছে। ফলে পলিগ্রাফ পরীক্ষা একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা না, বরং তথ্য নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের বৃহত্তর প্রচেষ্টারই অংশ।

সবাইকে কি পলিগ্রাফ দিতে হয়েছে?

না; জয়েন্ট স্টাফে প্রায় ১,৫০০-২,০০০ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা কাজ করেন। বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কমান্ডগুলোর সঙ্গে অভিযান, নীতি ও যুদ্ধ পরিকল্পনা সমন্বয়ে এই প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে তাদের সবাইকে পরীক্ষা করা হয়নি। জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইনের মতো কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা পলিগ্রাফ পরীক্ষার আওতায় আসেননি। পেন্টাগনও আনুষ্ঠানিকভাবে পরীক্ষার বিস্তারিত প্রকাশ করেনি।

পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পারনেল বলেছেন, অভ্যন্তরীণ কর্মী বা তদন্তসংক্রান্ত বিষয়ে প্রতিরক্ষা বিভাগ মন্তব্য করে না। তবে জাতীয় নিরাপত্তাসংক্রান্ত গোপন তথ্য ফাঁসের ঘটনাকে তারা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তদন্ত করে।

পলিগ্রাফ কি সত্যিই ‘মিথ্যা ধরতে’ পারে?

‘লাই ডিটেক্টর’ নামটি জনপ্রিয় হলেও পলিগ্রাফ সরাসরি কারও মিথ্যা শনাক্ত করে না। পরীক্ষার সময় সাধারণত ব্যক্তির হৃদস্পন্দন, রক্তচাপ, শ্বাস-প্রশ্বাস ও ঘামের মতো শারীরিক প্রতিক্রিয়া পরিমাপ করা হয়। এই টেস্টের ক্ষেত্রে ধারণাটি হলো, গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তরে মিথ্যা বলার সময় মানসিক চাপ তৈরি হলে শরীরে কিছু পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।

কিন্তু উদ্বেগ, ভয় বা মানসিক চাপের কারণ সব সময় যে মিথ্যা বলা তা না। আবার প্রশিক্ষিত বা বিশেষ মানসিক বৈশিষ্ট্যের কোনো ব্যক্তি মিথ্যা বলেও তুলনামূলক স্বাভাবিক থাকতে পারেন। এ কারণেই পলিগ্রাফকে শতভাগ নির্ভরযোগ্য ‘মিথ্যা শনাক্তকারী যন্ত্র’ হিসেবে দেখা হয় না।

তারপরও যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা ও জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থায় এর ব্যবহার বহুদিনের। অত্যন্ত গোপন তথ্য বা বিশেষ নিরাপত্তা কর্মসূচিতে প্রবেশাধিকার থাকা কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা যাচাইয়ের অংশ হিসেবে কখনো কখনো পলিগ্রাফ পরীক্ষা দিতে হয়। পার্থক্য হলো, সেসব পরীক্ষা সাধারণত নিয়মিত নিরাপত্তা যাচাইয়ের অংশ। বর্তমান ঘটনায় কয়েক ডজন উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাকে একসঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদমূলক পলিগ্রাফের আওতায় আনা হয়েছে একটি নির্দিষ্ট তথ্য ফাঁসের উৎস খুঁজতে। এটাই ঘটনাটিকে ব্যতিক্রমী করে তুলেছে।

সিবিএস নিউজকে কর্মকর্তারা বলেছেন, শীর্ষ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের এত বড় সংখ্যায় একসঙ্গে পরীক্ষার জন্য ডাকা অত্যন্ত বিরল ঘটনা।

আগেও পলিগ্রাফের আশ্রয় নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন

২০২৫ সালের মার্চে পেন্টাগনে ‘অননুমোদিত জাতীয় নিরাপত্তা তথ্য প্রকাশ’ নিয়ে আরেকটি তদন্ত শুরু হয়েছিল। তখনও কর্মীদের পলিগ্রাফ পরীক্ষার মুখোমুখি করা হতে পারে বলে খবর প্রকাশিত হয়। ঘটনার কেন্দ্রে ছিল ইলন মাস্ককে চীনের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পরিকল্পনা নিয়ে গোপন ব্রিফিং দেওয়ার খবর। ট্রাম্প ও মাস্ক দুজনই সেই খবর অস্বীকার করেছিলেন।

পলিগ্রাফের ব্যবহার শুধু পেন্টাগনেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। ২০২৬ সালের মে মাসে এফবিআই পরিচালক কাশ প্যাটেলের নিরাপত্তা দলের বর্তমান ও সাবেক দুই ডজনের বেশি সদস্যকেও অভ্যন্তরীণ তথ্য ফাঁসের তদন্তে পলিগ্রাফ পরীক্ষা দিতে হয়েছিল বলে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

কেন ঘটনাটি গুরুত্বপূর্ণ?

এই ঘটনার গুরুত্ব শুধু ৫০ জন কর্মকর্তার পলিগ্রাফ পরীক্ষায় সীমাবদ্ধ নেই। এর ভেতরে রয়েছে আরও বড় কয়েকটি প্রশ্ন।

  • প্রথমত, ইরান যুদ্ধ ও বিভিন্ন অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের আধুনিক অস্ত্রভান্ডারের ওপর আসলেই কতটা চাপ পড়ছে?
  • দ্বিতীয়ত, সামরিক বাহিনীর অভ্যন্তরে তথ্য ফাঁস নিয়ে প্রশাসনের উদ্বেগ কতটা গভীর?
  • তৃতীয়ত, জাতীয় নিরাপত্তার নামে সংবাদমাধ্যমের কাছে তথ্য যাওয়ার পথ বন্ধ করতে গিয়ে পেন্টাগনের ভেতরে কতটা সন্দেহ ও ভয় তৈরি হচ্ছে?
  • এবং সবশেষে, পলিগ্রাফের মতো বিতর্কিত একটি পদ্ধতির এত ব্যাপক ব্যবহার ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও প্রশাসনিক সংস্কৃতিতে কী প্রভাব ফেলবে?

এ মুহূর্তে একটি বিষয় অবশ্য পরিষ্কার। যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভান্ডার নিয়ে সংবাদমাধ্যমে যে তথ্য বেরিয়ে এসেছে, ট্রাম্প প্রশাসন সেটিকে নিছক বিব্রতকর সংবাদ হিসেবে দেখছে না। তাদের চোখে এটি জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন। আর সেই কারণেই বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর সামরিক প্রতিষ্ঠানের ভেতরে এখন কর্মকর্তাদের একে একে বসতে হচ্ছে পলিগ্রাফ যন্ত্রের সামনে।

ফিচার ইমেজ: AFP

তথ্যসূত্র

১) Top military officials faced polygraphs over leaks of sensitive information on weapons stockpiles, sources say – September 5, 2026 – CBS News

২) Why has the Trump administration ordered staff to take polygraph tests? – 5 Sep 2026 – Al Jazeera

 

This post was viewed: 4

আরো পড়ুন