বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশ গঠনে তার সার্বিক অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের কাছে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি।
তিনি জানান, এ বছর মোট ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ৫টি প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর এ সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে।
দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে তার দীর্ঘ অবদান এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ভূমিকার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও বলেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য প্রতি বছর স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করা হয়। স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা হিসেবে বিবেচিত।