Ridge Bangla

ভারতে আটকা পড়েছেন জিম্বাবুয়ে এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটাররা

ভারতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে দেশে ফেরত যাওয়ার কথা ছিল জিম্বাবুয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ জাতীয় ক্রিকেট দলের। কিন্তু সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ লেগে যায়। যে যুদ্ধ পরবর্তীতে পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। যার কারণে পশ্চিম এশিয়ার আকাশসীমা সীমিত হয়ে পড়ে। এতে করে বিমানের সব ফ্লাইট বন্ধ হয়ে যায়।

এই সমস্যার শিকার হয়ে প্রথম দল হিসেবে ভারতে আটকা পড়ে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দল। পরবর্তীতে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধের কারণে পশ্চিম এশিয়ার আকাশসীমা বন্ধ থাকায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ জাতীয় দলও আটকা পড়ে। গত রোববার দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে নিজেদের শেষ ম্যাচটি খেলার পর দেশে ফেরার কথা ছিল জিম্বাবুয়ে দলের, কিন্তু দেশে ফিরতে পারেনি জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দল।

দিল্লিতে চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের শেষ ম্যাচ খেলেছে সিকান্দার রাজার দল। তাদেরকে দিল্লিতে বিশেষ ব্যবস্থায় রেখে দেওয়া হয়েছে। আপাতত তাঁদের ভারতেই থাকতে হচ্ছে এবং কবে দেশে ফিরতে পারবে তা এখনো অনিশ্চিত।

অপরদিকে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিলেও ভারত ছাড়তে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল। দুবাই বিমানবন্দর পুরোপুরি বন্ধ। ফলে কলকাতায় ভারতের বিপক্ষে সুপার এইটের শেষ ম্যাচ খেলার পরপর দেশে ফেরার বিমানে ওঠার কথা ছিল ক্যারিবিয়ানদের। কিন্তু দেশে ফেরত যেতে পারেনি উইন্ডিজ দলও। তাদেরকে কলকাতাতেই রাখা হয়েছে।

ভারত ও শ্রীলঙ্কায় চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দলগুলোর খেলা শেষ হওয়ার পর তাদের দেশে ফেরাতে বিকল্প পথ খুঁজছেন আয়োজকেরা এবং আন্তর্জাতিক ভ্রমণ সহজতর করতে আপদকালীন পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। জিম্বাবুয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইট থেকে বাদ পড়েছে।

আইসিসি শনিবার এক বিবৃতিতে জানায়, তারা মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবিকাশমান পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সংশ্লিষ্ট সবার ভ্রমণ, লজিস্টিকস ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমন্বিত বিকল্প পরিকল্পনা সক্রিয় করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বড় এয়ারলাইনগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে বিকল্প রুট খুঁজে বের করতে সক্রিয়ভাবে কাজ করা হচ্ছে এবং সুস্থতা নিশ্চিত করতে ব্যাপক আপদকালীন পরিকল্পনা সক্রিয় করা হয়েছে। এ ছাড়া একটি বিশেষ আইসিসি ভ্রমণ–সহায়তা ডেস্কও চালু করা হয়েছে।

This post was viewed: 16

আরো পড়ুন