নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বুড়িগঙ্গা নদীতে ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী লঞ্চের ধাক্কায় বালুবাহী একটি বাল্কহেড ডুবে গিয়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। ঘন কুয়াশার মধ্যে শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) ভোর ৬টার দিকে ধর্মগঞ্জ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নৌপুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ঢাকাগামী সুন্দরবন-১৬ নামের লঞ্চটি কুয়াশার কারণে নদীতে আটকে থাকা এমবি কাসফা শাহানা নামের বাল্কহেডকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে বাল্কহেডটি দ্রুত ডুবে যায়। বাল্কহেডে থাকা পাঁচ শ্রমিকের মধ্যে তিনজন নদীতে লাফিয়ে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও দুজন ইঞ্জিন রুমে আটকা পড়ে প্রাণ হারান।
নিহতরা হলেন পটুয়াখালী জেলার ধুমকি থানার চরগরবদী গ্রামের আমির হাওলাদারের ছেলে শাকিল আহমেদ জহিরুল (২৪) এবং ঝালকাঠির বাসিন্দা হাসান (২০)। তারা দুজনই বাল্কহেডের লস্কর হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
খবর পেয়ে পাগলা নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর বিকেল পৌনে ৪টার দিকে ডুবে যাওয়া বাল্কহেডের ইঞ্জিন রুমের নিচ থেকে দুই শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহ দুটি পাগলা নৌপুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
নৌপুলিশ নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আলমগীর হোসেন জানান, ঘন কুয়াশার কারণেই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় জড়িত লঞ্চটি আটক করে সদরঘাটে রাখা হয়েছে।