ভারতের একটি গোয়েন্দা সংস্থা গত কয়েক মাসে সুব্রত বাইনের মতো অন্তত ৮০ জন আততায়ীকে দেশের বিভিন্ন সীমান্তপথ দিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করিয়েছে। এমন গুরুতর দাবি করেছেন অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ অভিযোগ তোলেন।
পোস্টে জুলকারনাইন সায়ের লিখেছেন, আন্ডারওয়ার্ল্ডের বিভিন্ন গ্রুপ, কুষ্টিয়া-মেহেরপুর অঞ্চলের চরমপন্থী সংগঠন এবং কিছু পলাতক সন্ত্রাসী একত্রিত হয়ে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সহিংসতার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে। তাদের লক্ষ্য নির্বাচনী প্রার্থী, কেন্দ্রীয় নেতা এবং নিজ নিজ এলাকার জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা। পরিকল্পনা অনুযায়ী হত্যাকাণ্ড ও নাশকতার মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হতে পারে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, যিনি সুব্রত বাইনের হ্যান্ডলার হিসেবে পরিচিত, জামিনে থাকা পিচ্চি হেলাল এবং চরমপন্থী সংগঠন গণমুক্তি ফৌজের প্রধান মুকুলের সঙ্গে টেলিফোন কনফারেন্সে এসব বিষয়ে আলোচনা করেছেন বলে তাঁর কাছে তথ্য রয়েছে। জুলকারনাইনের ভাষ্য অনুযায়ী, সুব্রত বাইন কারাগার থেকে তাঁর মেয়ের মোবাইল ফোন ব্যবহার করে এসব আলোচনায় যুক্ত ছিলেন।
পোস্টে আরও বলা হয়, সুব্রত বাইনের মেয়ে সিনথিয়া বিতু নেপালে পলাতক বিডিআর মামলার আসামি লেদার লিটনসহ পিচ্চি হেলাল, মুকুল, বাড্ডার বড় সাঈদ ও দিপুর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে দেয়। জুলকারনাইন সায়ের সতর্ক করে বলেন, নির্বাচন বানচাল ও দেশকে চরম অস্থিতিশীল করতে একটি বিশেষ গোষ্ঠী সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাবে।