চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় যুবদলকর্মী মুহাম্মদ আলমগীর আলমকে (৪৫) প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার ঘটনায় আলোচনায় এসেছে স্থানীয় সন্ত্রাসী রায়হানের নাম। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এ হত্যাকাণ্ডে রায়হান ও তাঁর সহযোগীরা জড়িত থাকতে পারে।
গতকাল ২৫ অক্টোবর (শনিবার) বিকেলে আলম মোটরসাইকেলে করে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে চারাবটতল বাজারের পাশ দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। কায়কোবাদ জামে মসজিদের সামনে পৌঁছালে কবরস্থানে লুকিয়ে থাকা একদল অস্ত্রধারী তাঁর ওপর গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই নিহত হন আলম। তাঁর শরীরে পাঁচটি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে পুলিশ জানায়, হত্যাকারীরা আলমকে গুলিবিদ্ধ করেই তাৎক্ষণাৎ পালিয়ে যায়। নিহত আলম পার্শ্ববর্তী ঢালারমুখ এলাকার বাসিন্দা। তিনি চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি গোলাম আকবর খন্দকারের অনুসারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। আলম যাদের নিয়ে আগে থেকেই শঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, তাদের সংশ্লিষ্টতা গুরুত্বসহকারে যাচাই করা হচ্ছে।
হত্যার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, আলম এক ব্যক্তির সঙ্গে ফোনে কথা বলছেন এবং রায়হান নামে এক সন্ত্রাসীর হুমকির আশঙ্কা প্রকাশ করছেন। কথোপকথনে তিনি বলেন, ওরা অস্ত্র নিয়ে এসেছে আমাকে ভয় দেখাতে। আমি তো একা ছিলাম, জনগণ না আসলে হয়তো আজই মারা যেতাম।