Skip to main content

Ridge Bangla

ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ হত্যা: প্রেমঘটিত কারণেই খুন, জিজ্ঞাসাবাদে চাঞ্চল্যকর তথ্য

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ হোসাইনের হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ছাত্রী বার্জিস শাবনাম বর্ষা জানিয়েছেন, তার প্রেমিক মাহির রহমানের প্রেমঘটিত ক্ষোভ থেকেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটে।

বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, বর্ষা ও মাহিরের মধ্যে দীর্ঘ নয় বছরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্প্রতি সম্পর্কে টানাপোড়েন শুরু হলে বর্ষা মাহিরকে জানায়, সে এখন জোবায়েদকে পছন্দ করে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মাহির তার এক বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে জোবায়েদকে হত্যা করে।

পুলিশ জানায়, জোবায়েদ ও বর্ষার মধ্যে সরাসরি কোনো প্রেমের সম্পর্ক বা মেসেজ আদানপ্রদান পাওয়া যায়নি। বর্ষা কেবল মাহিরকে জানিয়েছিল যে, জোবায়েদকে তার ভালো লাগে। এই কথার জেরেই মাহির হত্যার পরিকল্পনা করে।

ঘটনার দিন বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটের দিকে পুরান ঢাকার আরমানিটোলার নূরবক্স লেনের একটি বাসায় টিউশন করতে গিয়ে খুন হন জোবায়েদ। তিনি সেখানে বর্ষাকে পড়াতে যেতেন। পরে সিঁড়ি থেকে তার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

ঘটনার পরপরই শিক্ষার্থীরা বংশাল থানার সামনে বিক্ষোভ করে এবং তাঁতীবাজার মোড় অবরোধ করে আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানায়।

এদিকে, ঘটনার ১৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও সোমবার সকাল পর্যন্ত মামলার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়নি বলে অভিযোগ করেছে নিহতের পরিবার। পরিবারের দাবি, তারা বর্ষা, তার বাবা-মা, প্রেমিক মাহির রহমান ও মাহিরের বন্ধু নাফিসকে আসামি করে মামলা দিতে চাইলেও থানার ওসি অভিযোগপত্রে আসামির সংখ্যা কমানোর পরামর্শ দেন।

ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা অভিযোগ নিতে প্রস্তুত। তবে বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত করলে ভালো হবে বলে পরামর্শ দিয়েছি।

উল্লেখ্য, নিহত জোবায়েদ হোসাইন ছিলেন কুমিল্লা জেলা ছাত্র কল্যাণ পরিষদের সভাপতি এবং জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।

This post was viewed: 68

আরো পড়ুন