Skip to main content

Ridge Bangla

রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ–পদোন্নতির নীতিমালা

রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পর্যায়ের নিয়োগ ও পদোন্নতিতে নীতিমালা জারি করেছে সরকার। ২০২৩ সালের নীতিমালা বাতিল করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এ নীতিমালা জারি করে। নতুন নীতিমালাটি ছয়টি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক, ছয়টি বিশেষায়িত ব্যাংক এবং দুটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

নীতিমালার আওতায় থাকা বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো হলো সোনালী, অগ্রণীসহ ছয়টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক। বিশেষায়িত ব্যাংকের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক (বিকেবি), রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব)সহ ছয়টি প্রতিষ্ঠান। আর আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন (বিএইচবিএফসি) ও ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)। এসব প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি), উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) ও মহাব্যবস্থাপক (জিএম) পদের ক্ষেত্রে নীতিমালাটি কার্যকর হবে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, বাণিজ্যিক ব্যাংকের এমডি পদে সর্বোচ্চ তিন বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হবে। প্রার্থীদের স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে। অর্থনীতি, হিসাববিজ্ঞান, ফাইন্যান্স, ব্যাংকিং, ব্যবস্থাপনা বা ব্যবসায় প্রশাসনে উচ্চতর শিক্ষা বা পেশাগত যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো স্তরে তৃতীয় বিভাগ বা শ্রেণি গ্রহণযোগ্য হবে না।

প্রার্থীদের চাকরিজীবনের প্রতিটি ধাপে সততা ও সুনাম থাকতে হবে। এ ছাড়া গোয়েন্দা সংস্থা ও দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রতিবেদন যাচাই করা হবে। বাছাই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে প্রধানমন্ত্রী বা প্রধান উপদেষ্টার অনুমোদনক্রমে নিয়োগ চূড়ান্ত হবে।

বিশেষায়িত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমডি পদে পদোন্নতি বা আন্তঃবদলির মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে প্রার্থীর ডিএমডি হিসেবে অন্তত দুই বছরের অভিজ্ঞতা এবং ৯ম গ্রেডে ন্যূনতম ২০ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

ডিএমডি ও জিএম পদেও পদোন্নতি বা আন্তঃবদলির মাধ্যমে নিয়োগ হবে। ডিএমডি পদে পদোন্নতির জন্য বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের জন্য অভিজ্ঞতার পৃথক শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। একইভাবে জিএম পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রেও ডিজিএম হিসেবে অভিজ্ঞতাসহ নির্দিষ্ট মেয়াদের চাকরির শর্ত রয়েছে।

প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, ব্যাংকিং প্রফেশনাল পরীক্ষা, চাকরির রেকর্ড, বার্ষিক গোপনীয় অনুবেদন (এসিআর) ও সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে ১০০ নম্বরের মানদণ্ডে মূল্যায়ন করা হবে। নিয়োগ ও পদোন্নতির জন্য অর্থমন্ত্রী বা অর্থ উপদেষ্টার নেতৃত্বে একটি বাছাই কমিটি গঠন করা হবে।

নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী বেতন–ভাতা পাবেন। পদত্যাগ, অবসর ও চাকরিচ্যুতির বিষয়গুলো ‘সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮’ অনুযায়ী পরিচালিত হবে।

This post was viewed: 52

আরো পড়ুন