Skip to main content

Ridge Bangla

‘বাংলাদেশের পিএইচডি ডিগ্রিগুলো খতিয়ে দেখা উচিত’: শিক্ষামন্ত্রী

বাংলাদেশে অর্জিত পিএইচডি ডিগ্রিগুলো খতিয়ে দেখার প্রয়োজন রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তার দাবি, কিছু পিএইচডিধারী ব্যক্তি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সমালোচনা করছেন এবং ভালো উদ্যোগগুলো ব্যর্থ করার চেষ্টা করছেন।

শনিবার নওগাঁ সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক ফলক উন্মোচন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘কিছু কিছু মানুষ সুন্দর সুন্দর পোস্ট দিচ্ছেন। ডক্টরেট ডিগ্রীধারী এক শিক্ষক আমার নাম দিয়েছেন পরীক্ষা মিলন, মন্ত্রী মিলন না। ওই ডক্টরেট ধারীকে মন্ত্রীর প্রশ্ন, তিনি কি বিনা পরীক্ষায় পিএইচডি করেছেন?’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের পিএইচডিগুলো খতিয়ে দেখা উচিত। কারণ কিছু পিএইচডিধারী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সমালোচনা করে যাচ্ছেন। তবে কেউ যদি ভালো উদ্যোগগুলো ব্যর্থ করে দিতে চায় তবে তরুণ প্রজন্ম ব্যর্থ করে দিবে।’

পরীক্ষা নিয়ে ছড়ানো বিভিন্ন অভিযোগেরও সমালোচনা করেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘প্রশ্ন ফাঁস হচ্ছে, নকল হচ্ছে’ এগুলো বানিয়ে বলাটাই জেনো কারো কারো কাজ। তবে যে যত ট্রলই করুক না কেনো, যত অপবাদই দিক না কেনো, আমাদের সঠিক দায়িত্ব থেকে কেউ এক চুলও বিচ্যুত করতে পারবে না।’

সাম্প্রতিক আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘হঠাৎ করেই একটা পক্ষ ট্রল করা শুরু করলো। শুরু হলো আন্দোলন। তবে মজার বিষয় হচ্ছে যারা ট্রল করলেন তারা কেউ পরীক্ষার্থী না। আর আন্দোলনে যাদের দেখা গেছে তারা কেউ ঢাকা শহরে আইডিয়াল কলেজ, ভিকারুন্নেসা কিংবা ল্যাবরেটরি স্কুলসহ কোনো প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থী নয়। শুধুমাত্র কিছু মানুষকে মিসগাইডেড করে বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল।’

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুল খালেক, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. খান মঈনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হাছানাত আলী এবং নওগাঁর ৬টি সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্যরা।

This post was viewed: 31

আরো পড়ুন